ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে বিশাল আকারের কমান্ডোবাহী রণতরী ইউএসএস ত্রিপোলি অঞ্চলটিতে পৌঁছেছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার (২৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, প্রায় সাড়ে তিন হাজার নৌসেনা ও মেরিন কমান্ডো বহনকারী এই রণতরী তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে। এরই অংশ হিসেবে বিশাল আকারের কমান্ডোবাহী রণতরী ইউএসএস ত্রিপোলি অঞ্চলটিতে পৌঁছেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার (২৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, প্রায় সাড়ে তিন হাজার নৌসেনা ও মেরিন কমান্ডো বহনকারী এই রণতরী তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় প্রবেশ করেছে।
এর আগে জানা গিয়েছিল, পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে একটি বিশেষ ‘মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে। ইউএসএস ত্রিপোলির আগমন সেই পরিকল্পনারই বাস্তবায়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই ধরনের মেরিন ইউনিটগুলো সাধারণত সমুদ্রপথে দ্রুত হামলা, উদ্ধার অভিযান এবং উপকূলভিত্তিক সামরিক অভিযানে দক্ষ। তাদের নিজস্ব আকাশ ও স্থলযুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা থাকায় যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার পর এই রণতরীর মোতায়েন তেহরানের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র শুধু আকাশপথ নয়, সমুদ্র ও স্থলভিত্তিক অভিযানের প্রস্তুতিও জোরদার করছে—এমন ইঙ্গিত মিলছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতির পাশাপাশি এই রণতরীর উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তির বড় ধরনের সমাবেশ নির্দেশ করে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।