হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেম বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও পাল্টা জবাব অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ কখনো অস্ত্র ত্যাগ করবে না। প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার প্রমাণ তারা দিয়েছে। নাইম কাসেম আরও বলেন, লেবানন সরকার অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক ছাড় দিতে […]
ছবি: সংগৃহীত
হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাইম কাসেম বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও পাল্টা জবাব অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ কখনো অস্ত্র ত্যাগ করবে না। প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াইয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার প্রমাণ তারা দিয়েছে।
নাইম কাসেম আরও বলেন, লেবানন সরকার অপ্রয়োজনীয় ও অযৌক্তিক ছাড় দিতে তাড়াহুড়া করেছে। তার মতে, ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার পথ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করা উচিত এবং এর বদলে পরোক্ষ আলোচনার পথ অনুসরণ করতে হবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও লেবানন ও ইসরাইল সীমান্তে গোলাগুলি থামেনি। দক্ষিণ লেবানন এবং সীমান্তের ওপারে ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে ড্রোন ও রকেট হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।
ইরান সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা “ব্যর্থ কূটনীতি”র ওপর নির্ভর করবে না। তাদের দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়েও যদি ইসরাইল বিমান হামলা, ধ্বংসযজ্ঞ ও গোলাবর্ষণ চালিয়ে যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
যুদ্ধবিরতির প্রথম দিন থেকেই ইসরাইলি গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়েছে।
চলমান উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দারা পরিস্থিতিকে “নামমাত্র যুদ্ধবিরতি” হিসেবে বর্ণনা করছেন। তাদের মতে, সীমান্ত এলাকায় স্বাভাবিকতা এখনো ফিরে আসেনি।
সূত্র: আলজাজিরা