Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

স্বাস্থ্য
১২:৫৫ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

উচ্চ কোলেস্টেরলঃ নিয়মিত পরীক্ষাই ভরসা

দি বাংলা ভয়েস ডেস্ক   ঃ    উচ্চ কোলেস্টেরল এমন একটি সমস্যা, যার সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না। শরীরের ভেতরে নীরবে বেড়ে উঠতে থাকে। যার কারণে এ ঝুঁকি সহজে মানুষ টেরই পায় না। ফলে অনেকেই জানতেই পারেন না যে তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেছে। রক্ত পরীক্ষা হচ্ছে কোলেস্টেরল যাচাই করার একমাত্র উপায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে […]

উচ্চ কোলেস্টেরলঃ নিয়মিত পরীক্ষাই ভরসা
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দি বাংলা ভয়েস ডেস্ক   ঃ    উচ্চ কোলেস্টেরল এমন একটি সমস্যা, যার সাধারণত কোনো লক্ষণ থাকে না। শরীরের ভেতরে নীরবে বেড়ে উঠতে থাকে। যার কারণে এ ঝুঁকি সহজে মানুষ টেরই পায় না। ফলে অনেকেই জানতেই পারেন না যে তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেছে। রক্ত পরীক্ষা হচ্ছে কোলেস্টেরল যাচাই করার একমাত্র উপায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে শুরু থেকেই সতর্ক হতে হবে। এজন্যই আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন শিশুদেরও নির্দিষ্ট বয়সে স্ক্রিনিংয়ের পরামর্শ দেয়। ৯ থেকে ১১ বছর বয়সে যেকোনো শিশুর অন্তত একবার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করানো উচিত। যদি পরিবারে কারো উচ্চ কোলেস্টেরল, স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস থাকে, তবে এই স্ক্রিনিং আরো আগে করা যেতে পারে। ডায়াবেটিস বা স্থূলতার মতো সমস্যা থাকলেও শিশুদের পরীক্ষা আগে করানো জরুরি।

পরবর্তী ধাপে, ১৭ থেকে ২১ বছর বয়সে আরেকবার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এই সময়টা তরুণদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ অনেকেই এ বয়সে জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়—খাদ্যাভ্যাস বদলে যায়, শারীরিক কার্যক্রম কমে যায়। ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ার ঝুঁকি থাকে।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রতি ৪ থেকে ৬ বছর অন্তর পরীক্ষা করাতে বলা হয়। তবে এটি সবার জন্য একই নয়। যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বা ওজন বেশি—তাদের ক্ষেত্রে পরীক্ষা আরো ঘন ঘন করতে হতে পারে। যারা কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ খাচ্ছেন বা পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে—তারাও এ ঝুঁকি গোষ্ঠীর মধ্যে পড়েন। চিকিৎসকেরা এসব ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও বেশি বার পরীক্ষা করতে বলেন।

আপনার পরীক্ষার ফলাফল যদি কাঙ্ক্ষিত সীমার মধ্যে না থাকে, তাহলে চিকিৎসক আপনার জন্য আলাদা পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন—যেমন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ বা প্রয়োজন হলে ওষুধ। সঙ্গে থাকবে নিয়মিত ফলোআপ টেস্টের পরামর্শ। সুত্র ঃ বনিক বার্তা

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ