গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলায় নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিন সদস্যও রয়েছেন। এ সময়ে বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আলজাজিরা। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি হামলা ও গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া যায়। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তরে একটি […]
ছবি: সংগৃহীত
গাজা উপত্যকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ছয় ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলায় নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিন সদস্যও রয়েছেন। এ সময়ে বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় চিকিৎসা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে আলজাজিরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি হামলা ও গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া যায়। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তরে একটি ড্রোন হামলায় একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হন বলে চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে।
এ ছাড়া গাজা সিটির জেইতুন এলাকাসহ উপত্যকার অন্যান্য স্থানেও হামলা ও গোলাবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রতিবেদনে জেইতুনের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ভারী গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা যাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শুক্রবার বিভিন্ন হামলায় প্রাণ হারান। খান ইউনিসে নিহত তিনজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে। গাজা সিটির পৃথক কয়েকটি হামলাতেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
অন্যদিকে শনিবার (২৯ আগস্ট) মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় একটি হাসপাতাল কমপ্লেক্সের ভেতরে চিকিৎসা সরঞ্জাম রাখার একটি তাঁবুতেও ইসরাইলি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনজন আহত হন বলে আলজাজিরা জানিয়েছে।
গাজায় বর্তমানে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও হামলা ও সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এর আগে সাম্প্রতিক বিভিন্ন হামলায়ও বেসামরিক নাগরিক, শিশু ও বাস্তুচ্যুত মানুষ হতাহত হয়েছেন।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি হামলা অব্যাহত থাকায় গাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সময়ে দীর্ঘস্থায়ী খাদ্যসংকট ও মানবিক সংকটের মধ্যেও উপত্যকায় বেসামরিক মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে।
ফলে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও নতুন করে হতাহতের ঘটনা গাজায় পরিস্থিতি কতটা নাজুক রয়েছে, তা আবারও সামনে এনেছে।