সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

সারাবাংলা
৫:১৯ পিএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তিন ভাইবোনসহ ৪ জনের মৃত্যু, সহায়তার ডাকেও সাড়া দেননি মাঝি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন ভাইবোনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশের অভিযান চলছে। গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানার কাছে ট্রলারটি ডুবে যায়। কুমিল্লার হোমনা থেকে আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে ১৩ জন […]

তিন ভাইবোনসহ ৪ জনের মৃত্যু, সহায়তার ডাকেও সাড়া দেননি মাঝি

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন ভাইবোনসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বাবা হেলাল উদ্দিন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ পুলিশের অভিযান চলছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানার কাছে ট্রলারটি ডুবে যায়। কুমিল্লার হোমনা থেকে আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে ১৩ জন যাত্রী ওই ট্রলারে ছিলেন। মাঝিসহ ট্রলারে মোট ১৪ জনের সঙ্গে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল।

এ ঘটনায় প্রথমে রাশিদা বেগম (৪০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে শুক্রবার রাতে ও শনিবার সকালে তিন ভাইবোন সজীব হোসেন (২৪), সামিয়া আক্তার (১৭) ও সামিন হোসেন (৫)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত যাত্রী ও গবাদিপশু বহনের পাশাপাশি ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে ট্রলারটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার সময় একটি বাল্কহেড থেকে ট্রলারের যাত্রীদের সহযোগিতার জন্য ডাকা হলেও মাঝি আহাম্মদ আলী সহযোগিতা নেননি বলে একটি ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওটি নৌ পুলিশও দেখেছে। তবে মাঝির দাবি, ঝড়ের সময় বাল্কহেডটি দূরে থাকায় তিনি সহযোগিতার কথা শুনতে পাননি। এ ঘটনায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।

বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল জানান, ট্রলারে ১৩ জন যাত্রী, দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল। ঝড়ের সময় নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি ঢুকে সেটি ডুবে যায়।

ঘটনার বিষয়ে নৌ পুলিশের নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

ট্রলারডুবির পর কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে গিয়ে আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে একে একে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও হেলাল উদ্দিন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ