মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের বারান্দার গ্রিল ভেঙে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছেন এক নারী আসামি। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান। এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিবাগত […]
ছবি: সংগৃহীত
মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনের বারান্দার গ্রিল ভেঙে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছেন এক নারী আসামি। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সদর মডেল থানার অস্থায়ী ভবনে এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া ওই নারী মাদারীপুর পৌরসভার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীকে আটক করেন সদর মডেল থানার অধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সূত্র আরও জানায়, থানার মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় বর্তমানে ওসির সরকারি বাসভবনের নিচতলায় অস্থায়ীভাবে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল ওই নারীকে। রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে তিনি জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডিউটি অফিসার এসআই রমজান আলী সজল এবং দায়িত্বে থাকা এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে, আসামি পালানোর ঘটনা তদন্তে শুক্রবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, “আসামি পালানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”