সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
৫:৩৬ পিএম, ৬ আগস্ট ২০২৬

দরপত্র ছাড়াই বিআরটিসির জন্য ২০০ ইলেকট্রিক বাস কেনার অনুমোদন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)-এর জন্য দরপত্র ছাড়াই ২০০টি ইলেকট্রিক বাস, চার্জিং স্টেশন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সড়ক […]

দরপত্র ছাড়াই বিআরটিসির জন্য ২০০ ইলেকট্রিক বাস কেনার অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)-এর জন্য দরপত্র ছাড়াই ২০০টি ইলেকট্রিক বাস, চার্জিং স্টেশন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমতি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সরকারি অর্থায়নে বিআরটিসির জন্য প্রায় ২০০টি ইলেকট্রিক বাস কেনা হবে। এসব বাসের মধ্যে নারী যাত্রীদের জন্য বিশেষায়িত বাসও থাকবে। পাশাপাশি বাস পরিচালনার জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজও একই প্রকল্পের আওতায় সম্পন্ন হবে।

সরকারের এই উদ্যোগ ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন চালুর বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। এর আগে বিআরটিসির জন্য ১০০টি ইলেকট্রিক বাস, ২৫টি চার্জিং স্টেশন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি বরাদ্দের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ জানিয়েছে, ইলেকট্রিক বাস চালু হলে জ্বালানি ব্যয় ও বায়ুদূষণ কমবে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয়ও কমে আসবে। এসব বাস ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রুটের পাশাপাশি বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন আন্তঃনগর রুটে চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

জানা গেছে, প্রথমে প্রকল্পের জন্য ৪০০ কোটি টাকা অনুদানের আবেদন করা হলেও অর্থ বিভাগ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নের পরামর্শ দেয়। তবে বিআরটিসি জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের বর্তমান আর্থিক সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় নিজস্ব অর্থায়ন বা ঋণের মাধ্যমে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। ঋণনির্ভর অর্থায়ন ভবিষ্যতে অতিরিক্ত সুদের বোঝা সৃষ্টি করবে, যা জনস্বার্থে পরিচালিত গণপরিবহন ব্যবস্থার জন্য টেকসই হবে না।

এ কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেট থেকে ৪০০ কোটি টাকা অনুদান বা ইক্যুইটি হিসেবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পুনরায় অর্থ বিভাগের কাছে আবেদন করা হয়েছে। বিআরটিসি জানিয়েছে, বরাদ্দ পাওয়া অর্থ শুধুমাত্র নির্ধারিত খাতেই ব্যয় করা হবে এবং সরকারি আর্থিক বিধিমালা ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হবে।

প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয়ের মধ্যে ১০০টি ইলেকট্রিক বাস কেনায় ২৫০ কোটি টাকা, ২৫টি চার্জিং স্টেশন নির্মাণে ৫০ কোটি টাকা, যন্ত্রাংশ ও স্পেয়ার পার্টস সংগ্রহে ৩৫ কোটি টাকা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তায় ২০ কোটি টাকা, পরিবহন, নিবন্ধন ও অন্যান্য ব্যয়ে ২৫ কোটি টাকা এবং ডিপো ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ