সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

ধর্ম
২:০০ এএম, ১৫ আগস্ট ২০২৫

নামাজে রিংটোন বেজে উঠলে বন্ধ করা যাবে কি?

প্রশ্ন : নামাজরত অবস্থায় মোবাইলের রিংটোন বেজে উঠলে কী করব? বিস্তারিত জানতে চাই। উত্তর : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের সময় হলে সুন্দরভাবে ওজু করে এবং একাগ্রতার সঙ্গে সুন্দরভাবে রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করে, তার এ নামাজ আগের সব গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়; যতক্ষণ পর্যন্ত না সে কোনো কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়। আর এ […]

নামাজে রিংটোন বেজে উঠলে বন্ধ করা যাবে কি?
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

প্রশ্ন : নামাজরত অবস্থায় মোবাইলের রিংটোন বেজে উঠলে কী করব? বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তর : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের সময় হলে সুন্দরভাবে ওজু করে এবং একাগ্রতার সঙ্গে সুন্দরভাবে রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করে, তার এ নামাজ আগের সব গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়; যতক্ষণ পর্যন্ত না সে কোনো কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়। আর এ সুযোগ তার সারা জীবনের জন্য।

তাই মোবাইল ব্যবহারকারীদের কর্তব্য হলো, মসজিদে প্রবেশের আগেই অথবা অন্ততপক্ষে নামাজে দাঁড়ানোর আগে মোবাইল ফোন বন্ধ বা সাইলেন্ট করে রাখা। কেননা নামাজের মধ্যে মোবাইল বেজে উঠলে অন্য নামাজিদেরও ব্যাঘাত ঘটে।

কোনো কারণে যদি নামাজের আগে মোবাইলের রিং বন্ধ করা না হয় আর নামাজ পড়াবস্থায় রিংটোন বেজে ওঠে তখন কর্তব্য হলো-

১. মোবাইলের দিকে না তাকিয়ে এক হাত দিয়ে দ্রুত বন্ধ করে দেওয়া। তা পকেটের ওপর থেকে বন্ধ করা হোক বা ভেতরে হাত দিয়ে বন্ধ করা হোক। নামাজ অবস্থায় মোবাইল বেজে উঠলে বন্ধ করার এটি উত্তম ব্যবস্থা।

২. পকেট থেকে বের করে দেখে দেখে বন্ধ করলে, এক হাত দিয়ে বন্ধ করলেও নামাজ ভেঙে যাবে। কারণ এ অবস্থায় কোনো আগন্তুক তাকে দেখলে সে নামাজে নেই বলেই প্রবল ধারণা করবে।

৩. ফোল্ডিং সেটও না দেখে এক হাত দ্বারা দ্রুত বন্ধ করে দিলে নামাজ ভাঙবে না। কিন্তু যদি দুই হাত ব্যবহার করে কিংবা দেখে দেখে বন্ধ করে তবে নামাজ ভেঙে যাবে।

তেমনিভাবে এক হাত দিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে যদি তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় ব্যয় হয়ে যায়, তবুও নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র : ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১/৫৬৪; শরহুল মুনইয়াহ পৃ. ৪৪৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১০৫

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ