নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে ধসে পড়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে তৃতীয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার উদ্ধার হওয়া মরদেহটি শনাক্ত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফায়ার ডিপার্টমেন্ট অব নিউইয়র্ক (এফডিএনওয়াই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রঙ্কসের ৩৭৪ ইস্ট ২০৯ নম্বর স্ট্রিটের ওই আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে […]
নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে ধসে পড়া একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে তৃতীয় ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার উদ্ধার হওয়া মরদেহটি শনাক্ত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ফায়ার ডিপার্টমেন্ট অব নিউইয়র্ক (এফডিএনওয়াই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ব্রঙ্কসের ৩৭৪ ইস্ট ২০৯ নম্বর স্ট্রিটের ওই আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন দ্রুত ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভবনের একটি বড় অংশ ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অগ্নিকাণ্ডের দিনই দ্বিতীয় তলার ওপরের একটি তলায় বসবাসকারী এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এরপর ওই ব্যক্তির স্ত্রী, ষাটোর্ধ্ব এক নারী নিখোঁজ রয়েছেন বলে শুক্রবার নিশ্চিত করেন ব্রঙ্কসের বোরো প্রেসিডেন্ট ভেনেসা গিবসন।
এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে দ্বিতীয় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার বিকেলে উদ্ধার করা হয় তৃতীয় মরদেহ। তবে পরে উদ্ধার হওয়া দুই ব্যক্তির পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ভবনটির বেশ কয়েকজন বাসিন্দা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। নিখোঁজ ওই নারীর প্রতিবেশী এলিসি ফ্যালকন জানান, তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে সবাই উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
গৃহহীন বাসিন্দাদের জন্য রেড ক্রস সাময়িকভাবে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করেছে। তবে নিজের দুটি সার্ভিস অ্যানিমেলকে ছেড়ে যেতে রাজি না হওয়ায় ফ্যালকন বর্তমানে নিজের গাড়িতেই অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালানোর সময় তিনটি কুকুরকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন দমকলকর্মীরা। কুকুরগুলোর ঘেউ ঘেউ শব্দ শুনে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
এদিকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি শহর কর্তৃপক্ষ। ভবনটির ভেতরের পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি নিরাপদ না হওয়ায় দমকলকর্মীরা সেখানে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করে তদন্ত চালাতে পারছেন না।
কর্তৃপক্ষের ধারণা, ভবনটি নিরাপদভাবে পরীক্ষা ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ এগিয়ে নেওয়ার পরই বিস্ফোরণ ও আগুনের সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। তদন্ত শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে।