যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন তদারকি ও ধরপাকড় জোরদারের মধ্যে নিউইয়র্কের আপস্টেট অঞ্চলের বাফেলো শহরে অভিযান চালিয়ে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)। গত ১৩ এপ্রিল এই আটকাদেশের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। জানা যায়, আটক দুজনই যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে বৈধ প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন এবং তাদের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কেস চলমান ছিল। […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন তদারকি ও ধরপাকড় জোরদারের মধ্যে নিউইয়র্কের আপস্টেট অঞ্চলের বাফেলো শহরে অভিযান চালিয়ে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস)। গত ১৩ এপ্রিল এই আটকাদেশের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, আটক দুজনই যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে বৈধ প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন এবং তাদের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কেস চলমান ছিল। তাদের একজন নূর মোহাম্মদ, যিনি কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে আইস কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন। অন্যজন মহিউদ্দিন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি বাংলাদেশি মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। পরে তাদের বাটাভিয়া ডিটেনশন সেন্টারে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আপস্টেট নিউইয়র্কসহ আশপাশের এলাকায় আইসের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে বিশেষ করে আশ্রয়প্রার্থী ও অনিয়মিত কাগজপত্রে থাকা অভিবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত কোর্ট ডেট, রিপোর্টিং এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও অনেককে হঠাৎ আটক করা হচ্ছে।
ইমিগ্রেশন আইনজীবীরা বলছেন, আশ্রয়প্রার্থীদের আইনি সুরক্ষা থাকলেও প্রশাসনিক জটিলতা, কাগজপত্রে অসঙ্গতি বা রিপোর্টিং সংক্রান্ত কারণে আকস্মিক আটকের ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই সংশ্লিষ্টদের নিজেদের কেসের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা, আইনজীবীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি সবসময় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আইসের হেফাজতে থাকা অভিবাসীর সংখ্যা ৬০ হাজারের বেশি। এদের বড় একটি অংশের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের দণ্ড নেই; অধিকাংশই অভিবাসন-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আটক রয়েছেন।