যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি এবং আশপাশের এলাকায় সোমবার ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (এনডব্লিউএস)। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) দেখা দিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি এবং আশপাশের এলাকায় সোমবার ভারী বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ (এনডব্লিউএস)। সংস্থাটি সতর্ক করে জানিয়েছে, টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা (ফ্ল্যাশ ফ্লাড) দেখা দিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে বাসিন্দাদের সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসরণ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের সবচেয়ে তীব্র সময়ে প্রতি ঘণ্টায় এক ইঞ্চিরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। ফলে নিচু এলাকা, যেখানে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দুর্বল এবং ছোট খাল বা জলাশয়ের আশপাশে রয়েছে, সেখানে দ্রুত জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এছাড়া কিছু এলাকায় দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে, যা স্থানীয়ভাবে ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, নিউইয়র্ক অঞ্চলের বেশিরভাগ এলাকায় মোট আধা ইঞ্চি থেকে দুই ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিচ্ছিন্ন কয়েকটি এলাকায় এর চেয়েও বেশি বৃষ্টি হতে পারে। অতিবৃষ্টির কারণে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা থাকায় পুরো অঞ্চলকে বিশেষ সতর্কতার আওতায় রাখা হয়েছে।
এদিকে উত্তর-পূর্ব ও মধ্য নিউ জার্সির বিস্তীর্ণ এলাকায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্যা সতর্কতা জারি রয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সেসব এলাকায় সড়ক, নিচু অঞ্চল এবং জনবসতিপূর্ণ স্থানে প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে প্রবল ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে স্ট্যাটেন আইল্যান্ড, উত্তর নিউ জার্সি এবং লোয়ার হাডসন ভ্যালির বেশ কয়েকটি এলাকায় উল্লেখযোগ্য বন্যা দেখা দিয়েছিল। যদিও নিউইয়র্ক সিটির অধিকাংশ এলাকা সে সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সক্ষম হয়।
পরিস্থিতি বিবেচনায় আবহাওয়াবিদরা বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাতায়াত না করার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে, পানি জমে থাকা বা প্লাবিত সড়ক দিয়ে কোনো অবস্থাতেই গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাদের মতে, বন্যার পানির গভীরতা অনেক সময় বোঝা যায় না, যা দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।