নিউইয়র্কের সড়কগুলোতে দ্রুতগতির গাড়ি ও বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ। মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ছয় দিনের এই অভিযানে অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল ও নজরদারি। অতিরিক্ত গতির পাশাপাশি বেপরোয়া গাড়ি চালানো, গাড়ি চালানোর সময় মনোযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি, মাদক […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের সড়কগুলোতে দ্রুতগতির গাড়ি ও বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ। মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
ছয় দিনের এই অভিযানে অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়কে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল ও নজরদারি। অতিরিক্ত গতির পাশাপাশি বেপরোয়া গাড়ি চালানো, গাড়ি চালানোর সময় মনোযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি, মাদক বা অ্যালকোহলের প্রভাবে গাড়ি চালানো, সিটবেল্ট না পরা এবং সড়কের পাশে থেমে থাকা জরুরি যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম না মানার মতো বিষয়গুলোও পুলিশের নজরে থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানের সময় সাধারণ চিহ্নিত পুলিশ গাড়ির পাশাপাশি বিশেষ ধরনের গাড়িও ব্যবহার করা হবে। এসব গাড়ি বাইরে থেকে সাধারণ যানবাহনের মতো মনে হতে পারে। এর মাধ্যমে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে।
নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির অন্যতম কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গতিকে দেখা হচ্ছে। আলবানির বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাফিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে নিউইয়র্কে গতিসংক্রান্ত দুর্ঘটনায় ৩১৫টি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ১২ হাজার ২৩২ জন।
পুলিশের মতে, গাড়ির গতি যত বেশি হয়, দুর্ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার সুযোগ তত কমে যায় এবং দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতিও গুরুতর হতে পারে। এ কারণেই বিশেষ অভিযানে অতিরিক্ত গতির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অভিযানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিউইয়র্কের ‘মুভ ওভার’ আইন। সড়কের পাশে পুলিশ, জরুরি সেবা বা নির্দিষ্ট অন্য কোনো যানবাহন থেমে থাকলে চালকদের পরিস্থিতি অনুযায়ী গতি কমিয়ে নিরাপদভাবে পাশ কাটিয়ে যেতে হয়।
এই নিয়ম না মানা চালকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিশেষ এই অভিযানে পুলিশ মূলত যেসব বিষয়ের ওপর নজর রাখবে, তার মধ্যে রয়েছে—
স্টেট পুলিশের এই বিশেষ অভিযান ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে এই সময়ের বাইরে গিয়েও ট্রাফিক আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।