নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার নয় মাসের মাথায় জোহরান মামদানিকে নিয়ে ভোটারদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা উঠে এসেছে নতুন এক জরিপে। কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির জরিপে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ৪৬ শতাংশ সম্ভাব্য ভোটার মামদানিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তাঁর প্রতি নেতিবাচক মত দিয়েছেন ৩৬ শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ বলেছেন, তাঁকে নিয়ে মত দেওয়ার মতো যথেষ্ট তথ্য তাদের কাছে নেই। একই […]
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার নয় মাসের মাথায় জোহরান মামদানিকে নিয়ে ভোটারদের ইতিবাচক মনোভাবের কথা উঠে এসেছে নতুন এক জরিপে। কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির জরিপে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ৪৬ শতাংশ সম্ভাব্য ভোটার মামদানিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তাঁর প্রতি নেতিবাচক মত দিয়েছেন ৩৬ শতাংশ এবং ১৫ শতাংশ বলেছেন, তাঁকে নিয়ে মত দেওয়ার মতো যথেষ্ট তথ্য তাদের কাছে নেই।
একই দিনে প্রকাশিত সিয়েনা কলেজের জরিপেও মামদানির ইতিবাচক রেটিং ৪৬ শতাংশ পাওয়া গেছে। তবে সেখানে তাঁর নেতিবাচক রেটিং ছিল ৪৪ শতাংশ। সিয়েনার জরিপে নিউইয়র্ক সিটিতে মামদানির প্রতি ইতিবাচক মত ছিল ৬০ শতাংশ এবং নেতিবাচক মত ৩১ শতাংশ।
কুইনিপিয়াকের জরিপে রাজ্যজুড়ে অন্যান্য পরিচিত ডেমোক্র্যাট নেতাদের রেটিংও উঠে এসেছে। প্রতিনিধি আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজের প্রতি ৪১ শতাংশ ভোটার ইতিবাচক এবং ৩৬ শতাংশ নেতিবাচক মত দিয়েছেন। সিনেটর চাক শুমারের ক্ষেত্রে ইতিবাচক মত ৩৪ শতাংশ এবং নেতিবাচক মত ৫১ শতাংশ।
নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুলের প্রতি ইতিবাচক মতও ৪৬ শতাংশ ছিল। তবে তাঁর নেতিবাচক রেটিং ছিল ৪৩ শতাংশ। একই জরিপে হোকুল ও মামদানির জনপ্রিয়তার ব্যবধানও খুব বেশি ছিল না।
কুইনিপিয়াকের জরিপটি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ১ হাজার ২৬ জন সম্ভাব্য ভোটারের ওপর পরিচালিত হয়। জরিপটির মার্জিন অব এরর ছিল প্লাস বা মাইনাস ৪ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট।
নিউইয়র্ক সিটির ক্ষেত্রে মামদানির রেটিং রাজ্যজুড়ে তাঁর রেটিংয়ের চেয়ে বেশি। কুইনিপিয়াকের হিসাবে, সিটির পাঁচ বরোর ৬০ শতাংশ সম্ভাব্য ভোটার তাঁকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন এবং ২৯ শতাংশ নেতিবাচক মত দিয়েছেন।
জরিপের এসব ফলাফল মামদানি দায়িত্ব নেওয়ার নয় মাস পরের জনমতের একটি চিত্র তুলে ধরছে। বিভিন্ন জরিপে প্রশ্নের ধরন, সময় ও নমুনার পার্থক্যের কারণে রেটিংয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।