কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের চারদিন পর এক ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মো. আলমগীর হোসেন জনতা ব্যাংক লিমিটেড–এর ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর লম্বাহাটি গ্রামে। প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আদর্শপাড়া গ্রামের জহির উদ্দিনের মেয়ে তাছলিমা আক্তার-কে বিয়ে করেন। তাদের একটি […]
ছবি: সংগৃহীত
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিখোঁজের চারদিন পর এক ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মো. আলমগীর হোসেন জনতা ব্যাংক লিমিটেড–এর ভৈরব শাখায় কর্মরত ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার বাড়ি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর লম্বাহাটি গ্রামে। প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আদর্শপাড়া গ্রামের জহির উদ্দিনের মেয়ে তাছলিমা আক্তার-কে বিয়ে করেন। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তারা কালিকাপ্রসাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাছলিমা আক্তার স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
গত রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে আলমগীর হোসেনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল বলে পরিবার জানিয়েছে।
বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কালিকাপ্রসাদ রেললাইনের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, মরদেহটি চারদিন আগের হওয়ায় পচন ধরেছে। শরীরে দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।