ইরান ও লেবানন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরাইল সরকারের ভূমিকা নিয়ে দেশটির ভেতরে তীব্র সমালোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে আস্থাহীনতা বাড়ছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি গণমাধ্যম। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার ওপর সরকার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছে না বলে মনে করছেন অনেক নাগরিক। একই সঙ্গে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরান ও লেবানন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরাইল সরকারের ভূমিকা নিয়ে দেশটির ভেতরে তীব্র সমালোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব নিয়ে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে আস্থাহীনতা বাড়ছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি গণমাধ্যম।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার ওপর সরকার কার্যকর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছে না বলে মনে করছেন অনেক নাগরিক। একই সঙ্গে লেবানন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের অবস্থান অস্পষ্ট থাকায় জনমনে হতাশা বাড়ছে।
অনেক ইসরাইলির ধারণা, সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সংকট মোকাবিলায় সুস্পষ্ট কৌশল দেখাতে পারছে না। এর ফলে জনগণের মধ্যে ‘প্রতারিত হওয়ার’ অনুভূতিও তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।
লেবানন সীমান্তে সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা বাড়ছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে ঘরবাড়ি ধ্বংস, লুটপাট ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ সামনে এসেছে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের তুলনায় সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা তুলনামূলক বেশি থাকলেও, উত্তর সীমান্তের দীর্ঘমেয়াদি সংকট সমাধানে সরকার এখনো কার্যকর পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি বলে মত বিশ্লেষকদের।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ কিংবা সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার মতো বাস্তবসম্মত কোনো কৌশল সরকারের হাতে নেই। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতার অভিযোগ আরও জোরালো হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা