পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এক নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে গত দুই দিনে বজ্রপাতে জেলায় অন্তত অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামে ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে জহির উদ্দিন (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু […]
ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এক নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে গত দুই দিনে বজ্রপাতে জেলায় অন্তত অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে কলাপাড়া উপজেলার তারিকাটা গ্রামে ভুট্টাক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে জহির উদ্দিন (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়।
এর কিছুক্ষণ পর দুপুর ২টার দিকে পূর্ব চাকামাইয়া গ্রামে মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রাঘাতে নিহত হন সেতারা বেগম (৫৫)। একই সময়ে শান্তিপুর গ্রামে খালেক হাওলাদার (৫৫) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে রাঙ্গাবালী উপজেলার চরগঙ্গা গ্রামে মাঠে গরু বাঁধতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারান সৌরভ মজুমদার (২২)।
মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে কলাপাড়া, রাঙ্গাবালীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চল ও ফসলি মাঠে বজ্রপাতে অন্তত ৫০টির বেশি গরুর মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়দের ধারণা, বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে অবস্থান করায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েছে।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিবারের খোঁজখবর নিতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনাগুলো সরকারিভাবে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ এড়িয়ে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।