সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

সারাবাংলা
২:৫৩ পিএম, ১৭ জুন ২০২৬

পাবনায় ১৬ জনের এইচআইভি শনাক্ত, ৭ জন সমকামী

পাবনায় এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা। এখন পর্যন্ত জেলায় ১৬ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭ জন সমকামী। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার ও এইচআইভি: গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে […]

পাবনায় ১৬ জনের এইচআইভি শনাক্ত, ৭ জন সমকামী

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

পাবনায় এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। জেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা। এখন পর্যন্ত জেলায় ১৬ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৭ জন সমকামী।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার ও এইচআইভি: গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালের ‘কি পপুলেশনস (কেপি) সেন্টার’-এর ফোকাল পার্সন ডা. মনিরুজ্জামান এবং সেন্টার ম্যানেজার ডা. আহসানুল কবির জেলার এইচআইভি পরিস্থিতি ও সচেতনতা কার্যক্রম নিয়ে বক্তব্য দেন।

তাদের উপস্থাপনায় জানানো হয়, পাবনায় শিরায় মাদক গ্রহণকারী, নারী যৌনকর্মী, পুরুষ যৌনকর্মী, সমকামী এবং হিজড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বিদ্যমান। জরিপ ও সেবা কার্যক্রমের আওতায় জেলায় ১ হাজার ৬১৫ জন সমকামী, ৭৬৫ জন নারী যৌনকর্মী, ৯০৮ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ১১০ জন হিজড়া এবং ৪৮৪ জন শিরায় মাদক গ্রহণকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে পাবনায় শনাক্ত ১৬ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৭ জন সমকামী। আক্রান্তদের চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কর্মশালায় পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. রফিকুল হাসান, পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, পাবনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, কোষাধ্যক্ষ প্রবীর কুমার সাহাসহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, এইচআইভি প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি বৈষম্যমুক্ত আচরণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ