দেশের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে দুই দিনে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই হাওরে ধান কাটার সময় কিংবা খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান। একই সঙ্গে কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং গবাদিপশুরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হবিগঞ্জে নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হন। শনিবার দুপুরে বড় […]
প্রতীকী ছবি
দেশের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বজ্রপাতে দুই দিনে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই হাওরে ধান কাটার সময় কিংবা খোলা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান। একই সঙ্গে কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং গবাদিপশুরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হবিগঞ্জে নবীগঞ্জ উপজেলায় হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হন। শনিবার দুপুরে বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের মমিনা হাওড়ে এ ঘটনা ঘটে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায়ও বজ্রাঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. মমতাজ আলী খান (৭০) মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে নুর জামাল (২৬) নামে এক যুবক নিহত হন। একই ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন নামে আরেকজন গুরুতর আহত হন। তাঁদের হাওরে ধান কাটার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই দিনে জামালগঞ্জের ভীমখালী ইউনিয়নে বজ্রপাতে দুটি গাভীর মৃত্যু হয় বলেও জানা গেছে।
এর আগের দিন শুক্রবার সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়। ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, তাহিরপুর ও দিরাই উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে এক কলেজ শিক্ষার্থী ও কয়েকজন কৃষিশ্রমিক ছিলেন। তাঁরা হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রাঘাতে আক্রান্ত হন। এসব ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে কালবৈশাখী ঝড়ের সময়, যখন কৃষকরা খোলা হাওরে কাজ করছিলেন। সংশ্লিষ্ট থানাগুলো ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে।
বৈশাখের শুরুতেই এমন ধারাবাহিক বজ্রপাতের ঘটনায় গ্রামীণ জনপদে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে ধান কাটার মৌসুমে এ ধরনের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।