সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৩:১৫ পিএম, ২৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পেলেন মন্ত্রীর সমমর্যাদা

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। তবে এই মর্যাদা শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও কূটনৈতিক প্রটোকল-সংক্রান্ত কার্যক্রমের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যমান ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’ বা রাষ্ট্রীয় […]

বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পেলেন মন্ত্রীর সমমর্যাদা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। তবে এই মর্যাদা শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও কূটনৈতিক প্রটোকল-সংক্রান্ত কার্যক্রমের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস স্মারকে এ তথ্য জানানো হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যমান ‘টেবিল অব প্রিসিডেন্স’ বা রাষ্ট্রীয় অগ্রাধিকার তালিকায় কোনো স্থায়ী পরিবর্তন না এনে ব্যক্তিগতভাবে দীনেশ ত্রিবেদীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্যের সমপর্যায়ের প্রটোকল সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

সরকারি নথিতে আরও বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত কেবল আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তার অবস্থান ও প্রটোকল সংক্রান্ত বিষয়গুলোর জন্য কার্যকর হবে। এটি ভারতের অগ্রাধিকার তালিকার স্থায়ী সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হবে না। স্মারকটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি কমলেশ রবিদাসের স্বাক্ষর রয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী এর আগে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দুই দফায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন এবং রেলমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। পরবর্তীতে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত থেকে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

নতুন দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে চলতি মাসের শুরুতে তিনি বাংলাদেশে আসেন। স্থলপথে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি, যা দুই দেশের সীমান্ত সংযোগের প্রতীকী গুরুত্বও তুলে ধরে।

দীনেশ ত্রিবেদীর আরেকটি বিশেষ দিক হলো বাংলা ভাষায় তার সাবলীলতা। দুই বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কে তার ভালো ধারণা রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি একজন সেতারবাদক হিসেবেও পরিচিত।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কূটনৈতিক বার্তা হিসেবেই ভারতের পক্ষ থেকে এই প্রটোকল মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ঘনিষ্ঠ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ