আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে, যার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারেও। সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা কমেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সোমবার সকালে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ০.৪ শতাংশ কমে ৪,৮০৯ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসও প্রায় ১ শতাংশ কমে […]
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে সামান্য পতন দেখা গেছে, যার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় বাজারেও। সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা কমেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সোমবার সকালে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ০.৪ শতাংশ কমে ৪,৮০৯ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসও প্রায় ১ শতাংশ কমে ৪,৮২৯ ডলারের আশপাশে লেনদেন হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে স্বর্ণের বাজারে ওঠানামা চলছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণ জনপ্রিয় হলেও উচ্চ সুদের হার থাকলে বিনিয়োগকারীরা এ খাত থেকে কিছুটা সরে আসেন।
অন্য ধাতুগুলোর মধ্যেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। রুপার দাম কিছুটা কমেছে, প্লাটিনাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে এবং প্যালাডিয়ামেও সামান্য পতন হয়েছে।
এদিকে, দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখনও বেশ উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি। ২১ ক্যারেটের ভরি প্রায় ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪ হাজার টাকার বেশি এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার টাকার কাছাকাছি।
সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমলেও দেশের বাজারে স্বর্ণ এখনও ক্রেতাদের জন্য ব্যয়বহুলই রয়ে গেছে।