সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৪:৪৩ পিএম, ২৪ জুন ২০২৬

বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের শীর্ষে এখন চীন, দ্বিতীয় স্থানে যুক্তরাষ্ট্র

উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে নতুন মাইলফলক গড়েছে চীন। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের সর্বশেষ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করেছে দেশটির নতুন সুপারকম্পিউটার ‘LineShine’। জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত আইএসসি ২০২৬ সম্মেলনে প্রকাশিত TOP500 তালিকায় শেনঝেনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টারে স্থাপিত LineShine শীর্ষস্থান অর্জন করে। এটি প্রতি সেকেন্ডে ২.১৯৮ এক্সাফ্লপসেরও বেশি গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম, যা যুক্তরাষ্ট্রের El […]

বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের শীর্ষে এখন চীন, দ্বিতীয় স্থানে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে নতুন মাইলফলক গড়েছে চীন। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটারের সর্বশেষ তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান দখল করেছে দেশটির নতুন সুপারকম্পিউটার ‘LineShine’।

জার্মানির হামবুর্গে অনুষ্ঠিত আইএসসি ২০২৬ সম্মেলনে প্রকাশিত TOP500 তালিকায় শেনঝেনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টারে স্থাপিত LineShine শীর্ষস্থান অর্জন করে। এটি প্রতি সেকেন্ডে ২.১৯৮ এক্সাফ্লপসেরও বেশি গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম, যা যুক্তরাষ্ট্রের El Capitan-এর তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।

এর মাধ্যমে ২০১৭ সালের পর প্রথমবারের মতো কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার আবারও বিশ্বের এক নম্বর অবস্থানে ফিরল। এর আগে Sunway TaihuLight একই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল।

এখন TOP500 তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের El Capitan। এর পরের দুটি অবস্থানও যুক্তরাষ্ট্রের দখলে—তৃতীয় স্থানে Frontier এবং চতুর্থ স্থানে Aurora। জার্মানির Jupiter Booster অবস্থান করছে পঞ্চম স্থানে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, LineShine-এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণভাবে সিপিইউভিত্তিক প্রযুক্তির ওপর নির্মিত। বর্তমানে অধিকাংশ সুপারকম্পিউটার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর সিস্টেম জিপিইউ ব্যবহার করলেও, শুধুমাত্র সিপিইউ ব্যবহার করে ২ এক্সাফ্লপসের বেশি কর্মক্ষমতা অর্জনের নজির এটিই প্রথম।

TOP500 প্রকল্পের অন্যতম সংগঠক এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী Jack Dongarra মনে করেন, মার্কিন রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা চীনের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রাকে পুরোপুরি থামাতে পারেনি। বরং নিজেদের প্রযুক্তি ও প্রসেসর উন্নয়নে দেশটিকে আরও বেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে।

তবে বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, সুপারকম্পিউটিং সক্ষমতায় এগিয়ে গেলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কম্পিউটিং প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র এখনও উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে। কারণ TOP500 মূলত বৈজ্ঞানিক ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গণনার দক্ষতা পরিমাপ করে, এআই প্রশিক্ষণের সক্ষমতা নয়।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এআই ইনডেক্স প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেটেন্ট, শিল্প রোবট এবং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার মতো বিভিন্ন সূচকে চীন দ্রুত অগ্রগতি অর্জন করছে। যদিও অত্যাধুনিক এআই মডেল তৈরির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

একের পর এক বিজ্ঞানীর পদত্যাগে চাপে ইসরো, গগনযান মিশন রক্ষায় কড়া পদক্ষেপ
৩ সপ্তাহ আগে

Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ