মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বিদেশি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগ (ডিওএসএম) প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা কমে প্রায় ৩.৩৮ মিলিয়নে দাঁড়াতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট জনসংখ্যার তুলনায় বিদেশি জনগোষ্ঠীর অংশ ২০২৪ সালে ছিল প্রায় ১০ শতাংশ। তবে ২০২৫ সালে এই হার সামান্য হ্রাস […]
মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বিদেশি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির পরিসংখ্যান বিভাগ (ডিওএসএম) প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে মালয়েশিয়ায় বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা কমে প্রায় ৩.৩৮ মিলিয়নে দাঁড়াতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট জনসংখ্যার তুলনায় বিদেশি জনগোষ্ঠীর অংশ ২০২৪ সালে ছিল প্রায় ১০ শতাংশ। তবে ২০২৫ সালে এই হার সামান্য হ্রাস পেয়ে ৯.৯ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন অ্যান্ড টেম্পোরারি মোবিলিটি ২০২৫’ নির্দেশিকা অনুসরণ করে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংক্রান্ত এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। ডিওএসএম জানায়, দেশের ৩৩টি প্রশাসনিক জেলায় বিদেশি জনগোষ্ঠীর হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি।
মালয়েশিয়ার প্রধান পরিসংখ্যানবিদ দাতুক সেরি ড. মোহাম্মদ উজীর মাহিনদিন বলেন, এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একটি শক্তিশালী অভিবাসন তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। তাঁর ভাষায়, ভবিষ্যতে এই ডেটা নীতি প্রণয়ন ও জাতীয় পরিকল্পনায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই পরিসংখ্যানে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক এবং বিদেশে বসবাসকারী মালয়েশিয়ানদের তথ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তথ্যের মান আরও উন্নত করতে আগামী দিনে ডেটা সংগ্রহের পরিধি ও পদ্ধতিতে আধুনিকায়ন আনা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হবে।
ডিওএসএমের মতে, আন্তর্জাতিক অভিবাসন একটি দেশের জনসংখ্যা কাঠামো ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। তাই শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সেবা নিশ্চিতকরণ এবং কার্যকর রাষ্ট্রীয় নীতি গ্রহণের জন্য নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত অভিবাসন তথ্য অত্যন্ত জরুরি।