যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির পর ভারতের শিল্পগোষ্ঠী আদানির চেয়ারম্যান গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি জালিয়াতির মামলা প্রত্যাহারের পথে এগিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বিচার বিভাগ নিউইয়র্কের আদালতে মামলাটি স্থায়ীভাবে খারিজের আবেদন জানিয়েছে। আদালতের অনুমোদন মিললে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হবে। মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, ভারতের একটি বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ২৬ […]
যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির পর ভারতের শিল্পগোষ্ঠী আদানির চেয়ারম্যান গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আনা ফৌজদারি জালিয়াতির মামলা প্রত্যাহারের পথে এগিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বিচার বিভাগ নিউইয়র্কের আদালতে মামলাটি স্থায়ীভাবে খারিজের আবেদন জানিয়েছে। আদালতের অনুমোদন মিললে মামলাটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হবে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, ভারতের একটি বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রায় ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঘুষ দেওয়া হয়েছে এবং মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এসব অভিযোগে গৌতম আদানি ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। আদানি গ্রুপ শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তারা মামলাটি পুনর্বিবেচনা করেছে এবং নিজেদের প্রসিকিউটোরিয়াল বিবেচনায় আরও সম্পদ বা সময় ব্যয় না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে আদালতের নথিতে উঠে এসেছে।
আদানির বিরুদ্ধে শুধু ফৌজদারি মামলা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের করা দেওয়ানি মামলাও সম্প্রতি নিষ্পত্তি হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানায়, ইরান-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগে আদানি এন্টারপ্রাইজ ২৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার জরিমানা দিয়ে একটি পৃথক তদন্ত মিটিয়ে নিয়েছে।
আদানির পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ ও প্রায় ১৫ হাজার নতুন চাকরির প্রতিশ্রুতির কথা আলোচনায় আসে। রায়ের আগেই এই বিনিয়োগ-প্রতিশ্রুতিকে কেন্দ্র করে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল।
মামলাটি এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি, কারণ বিচারকের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। তবে আদালত সম্মতি দিলে আদানি গোষ্ঠীর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বড় আইনি চাপ অনেকটাই কমে যাবে।