সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৮:২১ এএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

রাজনৈতিক চাপ সামাল দিতেই লেবাননে হামলা চালান নেতানিয়াহু: দাবি সামরিক সূত্রের

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তা মূলত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলার কৌশল—এমনটাই দাবি করেছে দেশটির সামরিক সূত্র।ইসরায়েলি দৈনিক ইসরায়েল হায়োম-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য ছিল মূলত শক্তি প্রদর্শনের অংশ, যার লক্ষ্য ছিল জনমনে তৈরি হওয়া অসন্তোষ কমানো। সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই ঘোষণার […]

রাজনৈতিক চাপ সামাল দিতেই লেবাননে হামলা চালান নেতানিয়াহু: দাবি সামরিক সূত্রের
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তা মূলত অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলার কৌশল—এমনটাই দাবি করেছে দেশটির সামরিক সূত্র।
ইসরায়েলি দৈনিক ইসরায়েল হায়োম-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্য ছিল মূলত শক্তি প্রদর্শনের অংশ, যার লক্ষ্য ছিল জনমনে তৈরি হওয়া অসন্তোষ কমানো। সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই ঘোষণার পরও বাস্তবে যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী আগের নির্দেশনা মেনেই তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উচ্চপর্যায়ের সামরিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন কোনো কৌশলগত পরিকল্পনা বা অপারেশনাল পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
এছাড়া বর্তমান সামরিক কার্যক্রম অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হচ্ছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, প্রকাশ্যে কঠোর অবস্থান নিলেও পর্দার আড়ালে পূর্বের সমঝোতাগুলোই অনুসরণ করছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা ও লেবানন ইস্যুতে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়া এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে ইসরায়েলের ভেতরে সরকারবিরোধী সমালোচনা বেড়েছে। এই চাপ থেকে বের হতে নেতানিয়াহু শক্ত অবস্থানের বার্তা দিচ্ছেন।
এদিকে, হোয়াইট হাউস-এর সামনে বিক্ষোভকারীদের প্রতিবাদ কর্মসূচিও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তে থাকা চাপের ইঙ্গিত দেয়। সামরিক মহলের ধারণা, নিজের অবস্থান শক্ত দেখাতে এবং সম্ভাব্য ব্যর্থতার দায় এড়াতে সরকার সেনাবাহিনীকে সামনে নিয়ে আসছে।
সব মিলিয়ে, একদিকে কঠোর বক্তব্য আর অন্যদিকে বাস্তবে সীমিত সামরিক পরিবর্তন—এই দ্বিমুখী অবস্থান ইসরায়েলের নীতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। এতে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ