ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা খেয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের নেতৃত্বাধীন জোট। নারী আসন সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আনা গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করতে পারেনি সরকার। এই বিল কার্যকর করতে হলে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ভোটাভুটিতে সেই সমর্থন জোগাড় করতে ব্যর্থ হয় ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট। বিলটির পক্ষে […]
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা খেয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের নেতৃত্বাধীন জোট। নারী আসন সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আনা গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পাস করতে পারেনি সরকার।
এই বিল কার্যকর করতে হলে সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ভোটাভুটিতে সেই সমর্থন জোগাড় করতে ব্যর্থ হয় ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট। বিলটির পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়লেও বিপক্ষে যায় ২৩০টি ভোট, যা প্রয়োজনীয় সীমা পূরণে যথেষ্ট ছিল না।
সংসদে এ নিয়ে তুমুল বিতর্কের পর ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় বিরোধী দলগুলো বিলের বিভিন্ন দিক নিয়ে আপত্তি তোলে, আর তাদের জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
পরে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, সংশ্লিষ্ট আরও দুটি সংশোধনী বিল নিয়ে আপাতত এগোনো হবে না।
উল্লেখ্য, সংসদ ও রাজ্য বিধানসভায় নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের বিষয়টি আগেই আইনি কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। তবে সেটি কার্যকর করতে নতুন করে নির্বাচনি সীমানা পুনর্নির্ধারণসহ সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজন ছিল—যা এবার সংসদে পাস হয়নি।
এই ব্যর্থতা শুধু একটি বিলের পরাজয় নয়, বরং সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েও সরকারের বাস্তব চ্যালেঞ্জকে সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।