ইরানের জনপ্রিয় শিল্পী Parastoo Ahmadi-কে হিজাব ছাড়া সংগীত পরিবেশনের অভিযোগে ৭৪ দোররা মারার শাস্তি দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। একই ঘটনায় তার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন সংগীতশিল্পী ও কলাকুশলীকেও বিভিন্ন ধরনের দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কোম প্রদেশের একটি আদালত সম্প্রতি এই রায় ঘোষণা করে। আদালতের অভিযোগ, ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত একটি অনলাইন কনসার্টে পারাস্তু বাধ্যতামূলক হিজাব […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের জনপ্রিয় শিল্পী Parastoo Ahmadi-কে হিজাব ছাড়া সংগীত পরিবেশনের অভিযোগে ৭৪ দোররা মারার শাস্তি দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। একই ঘটনায় তার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন সংগীতশিল্পী ও কলাকুশলীকেও বিভিন্ন ধরনের দণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, কোম প্রদেশের একটি আদালত সম্প্রতি এই রায় ঘোষণা করে। আদালতের অভিযোগ, ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত একটি অনলাইন কনসার্টে পারাস্তু বাধ্যতামূলক হিজাব ছাড়া গান পরিবেশন করেন এবং তার সেই পরিবেশনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
রায়ে শুধু বেত্রাঘাতের নির্দেশই নয়, শিল্পী এবং তার দলের সদস্যদের ওপর দুই বছরের বিদেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং একই মেয়াদের জন্য শিল্প-সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত অধিকারের পরিপন্থী।
ইরানে নারীদের পোশাক ও জনসমক্ষে উপস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কঠোর আইন কার্যকর রয়েছে। বিশেষ করে ২০২২ সালে Mahsa Amini-র মৃত্যুর পর বাধ্যতামূলক হিজাব আইনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তার পর থেকে এই ইস্যু আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, পারাস্তুর বিরুদ্ধে নেওয়া এই পদক্ষেপ ইরানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং নারীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।