সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৪:২৬ পিএম, ৩১ মার্চ ২০২৬

৫৩ বছর পর আবার চাঁদের পথে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা

৫৩ বছরেরও বেশি সময় পর আবার মানুষকে চাঁদের পথে পাঠানোর ঐতিহাসিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আर्टেমিস-টু (Artemis II) মিশনের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো-১৭-এর পর এই প্রথম মানুষ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ছাড়িয়ে চাঁদের দিকে যাত্রা করবে। এই মিশনে তিনজন মার্কিন মহাকাশচারী— রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ, এবং একজন কানাডিয়ান মহাকাশচারী […]

৫৩ বছর পর আবার চাঁদের পথে মানুষ পাঠাচ্ছে নাসা

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

৫৩ বছরেরও বেশি সময় পর আবার মানুষকে চাঁদের পথে পাঠানোর ঐতিহাসিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। আर्टেমিস-টু (Artemis II) মিশনের মাধ্যমে ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো-১৭-এর পর এই প্রথম মানুষ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ছাড়িয়ে চাঁদের দিকে যাত্রা করবে।

এই মিশনে তিনজন মার্কিন মহাকাশচারী— রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ, এবং একজন কানাডিয়ান মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন অংশ নিচ্ছেন। তারা ওরিয়ন ক্যাপসুল ও স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS) রকেটে চড়ে প্রায় ১০ দিনের পরীক্ষামূলক অভিযানে চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরবেন। এটি হবে মানবজাতির সবচেয়ে গভীর মহাকাশে যাওয়া অন্যতম ঐতিহাসিক সফর।

নাসার আर्टেমিস কর্মসূচির প্রথম মানববাহী পরীক্ষামূলক ফ্লাইট হিসেবে এই মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রধান লক্ষ্য হলো গভীর মহাকাশে মানুষের জীবনধারণ ব্যবস্থা, নেভিগেশন, যোগাযোগ এবং ক্রু ইন্টারফেস পরীক্ষা করা। ভবিষ্যতে চাঁদে নিয়মিত মানব অভিযান এবং পরে মঙ্গল মিশনের ভিত্তি তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য।

প্রোগ্রামটি ২০১২ সাল থেকে চলছে এবং এতে ইতোমধ্যে প্রায় ৯৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। নাসার লক্ষ্য ২০২৮ সালে আर्टেমিস-থ্রি মিশনের মাধ্যমে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মানুষ নামানো।

এই মিশনে আরও কয়েকটি ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি হবে। ভিক্টর গ্লোভার হবেন গভীর মহাকাশে যাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহাকাশচারী, ক্রিস্টিনা কোচ হবেন প্রথম নারী, আর জেরেমি হ্যানসেন হবেন প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক যিনি চাঁদের পথে যাবেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের এই চাঁদ কর্মসূচি শুধু বৈজ্ঞানিক লক্ষ্যেই নয়, চীনের সঙ্গে নতুন মহাকাশ প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। চীনও ২০৩০ সালের মধ্যে মানুষকে চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। তাই নাসা এই মিশনকে কৌশলগতভাবেও বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

লঞ্চের জন্য ১ এপ্রিলকে প্রাথমিক সময় নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে আবহাওয়া ও কারিগরি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এটি ৬ এপ্রিল পর্যন্ত যেকোনো দিনে হতে পারে। সফল হলে এটি মানবজাতির নতুন চন্দ্রযুগের সূচনা হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নেবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

একের পর এক বিজ্ঞানীর পদত্যাগে চাপে ইসরো, গগনযান মিশন রক্ষায় কড়া পদক্ষেপ
৩ সপ্তাহ আগে

Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ