ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই তার নিজ শহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র নগরী মাশহাদে দাফন করা হবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। প্রায় ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরানে […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আগামী ৯ জুলাই তার নিজ শহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র নগরী মাশহাদে দাফন করা হবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে। প্রায় ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী তেহরানে আগামী ৪ জুলাই থেকে তিন দিনব্যাপী তার রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর ৭ জুলাই পবিত্র নগরী কোমে আরেকটি স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে তার দাফন অনুষ্ঠান কয়েক মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
খামেনির মৃত্যুর পর মার্চ মাসের শুরুতে তার ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (Assembly of Experts) তাকে এই পদে নির্বাচিত করে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি দেশটির তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা।
রাষ্ট্রীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলার সময় মোজতবা খামেনিও আহত হয়েছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি খুব সীমিতভাবে জনসমক্ষে এসেছেন এবং মূলত লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আলী খামেনির দাফন শুধু একটি ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি ইরানের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। তার দীর্ঘ নেতৃত্বের সমাপ্তির মাধ্যমে দেশটি এখন নতুন নেতৃত্বের অধীনে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।