দেশে চলতি মার্চ মাসে নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার চিত্র উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চে ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছেন, আর ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৫৭ জন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি ১৫টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত […]
ছবি: সংগৃহীত
দেশে চলতি মার্চ মাসে নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার চিত্র উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চে ৪৭ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছেন, আর ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৫৭ জন।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি ১৫টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, মার্চ মাসে মোট ১৯০ জন নারী ও ১৮ বছরের কম বয়সী কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার ৫৭ জনের মধ্যে ৩৫ জনই কন্যাশিশু। এর মধ্যে ১৪ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ধর্ষণের পর ৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া ৬ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা এবং ১২ জন যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন।
একই সময়ে বিভিন্ন কারণে ৮ জন কন্যাসহ মোট ৪৭ জন নারী হত্যার শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি ১৭ জনের রহস্যজনক মৃত্যুর তথ্যও উঠে এসেছে।
মহিলা পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে একজন নারী অ্যাসিড দগ্ধ, তিনজন অগ্নিদগ্ধ এবং এর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। যৌতুকের কারণে ৫ জন নির্যাতনের শিকার, যার মধ্যে ৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
এছাড়া পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ২ জন, গৃহকর্মী হত্যার ঘটনা ঘটেছে ১টি।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিকগুলোর একটি হলো আত্মহত্যার ঘটনা। মার্চে ১৪ জন নারী ও কন্যার আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৫ জন আত্মহত্যায় প্ররোচিত হয়েছেন এবং একজন আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।
এ ছাড়া দুজন কন্যাসহ ৫ জন অপহরণচেষ্টার শিকার হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।