ভালোবাসার টানে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন দুবাইয়ের এক নাগরিক। শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ও সম্পর্কের পর অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের সাবেক লাউখোলা গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে দুবাইপ্রবাসী সলেমান এবং স্থানীয় তরুণী সুবর্ণার (২০) বিয়ে অনুষ্ঠিত […]
ছবি: সংগৃহীত
ভালোবাসার টানে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে এসে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন দুবাইয়ের এক নাগরিক। শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় ও সম্পর্কের পর অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের সাবেক লাউখোলা গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে দুবাইপ্রবাসী সলেমান এবং স্থানীয় তরুণী সুবর্ণার (২০) বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুবর্ণা প্রায় দুই বছর আগে কাজের উদ্দেশ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যান। সেখানে আবুধাবিতে অবস্থানকালে পার্কে ঘুরতে গিয়ে সলেমানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়।
পরবর্তীতে সুবর্ণা দেশে ফিরে এলে সম্পর্ককে পরিণতি দিতে কয়েক দিন আগে বাংলাদেশে আসেন সলেমান। এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের আয়োজন করা হয়।
বিয়ের আগে রোববার রাতে জমকালো গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার আনুষ্ঠানিক বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়েকে ঘিরে প্রায় দেড় হাজার অতিথির জন্য ভোজের ব্যবস্থাও করা হয় বলে জানা গেছে।
সুবর্ণার নানি ফুলজান বিবি বলেন, “বিদেশে থাকার সময় তাদের পরিচয় হয়েছিল। পরে তারা একে অপরকে পছন্দ করে। এখন বিয়ে হয়েছে, আমরা খুব খুশি।”
পরিবারের আরেক সদস্য রুবিনা বেগম বলেন, “দুই বছর আগে আমাদের মেয়ে বিদেশে গিয়েছিল। সেখান থেকেই তাদের পরিচয়। এখন তারা নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেছে। আমরা চাই তারা সুখে-শান্তিতে সংসার করুক।”
নববধূ সুবর্ণা বলেন, “দুবাইয়ে থাকাকালে আমাদের পরিচয় হয়। পরে আমাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের কারণেই তিনি বাংলাদেশে এসে আমাকে বিয়ে করেছেন। আমি নিজের ইচ্ছাতেই এই বিয়ে করেছি এবং আমি খুবই আনন্দিত।”
তবে বর সলেমান গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। একইভাবে কনের বাবা-মাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
এদিকে ভিন্ন দেশের দুই মানুষের এই বিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেকে নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানালেও কেউ কেউ পরিচয় ও সম্পর্কের বিষয়গুলো আরও যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন ছিল বলে মত দিয়েছেন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি। প্রয়োজন হলে খোঁজখবর নেওয়া হবে।