সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

USCIS
৭:৫২ পিএম, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র থেকে তৃতীয় দেশে অভিবাসী বহিষ্কারে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি যাচাই করবে সুপ্রিম কোর্ট

যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের নিজ দেশের পরিবর্তে তৃতীয় কোনো দেশে বহিষ্কারের নীতি নিয়ে আগামী ডিসেম্বরে শুনানি করবে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে সাময়িকভাবে এ নীতির আওতায় বহিষ্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। তবে নীতিটির বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। ট্রাম্প প্রশাসনের এ নীতির আওতায় যেসব অভিবাসীকে নিজ […]

যুক্তরাষ্ট্র থেকে তৃতীয় দেশে অভিবাসী বহিষ্কারে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি যাচাই করবে সুপ্রিম কোর্ট

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের নিজ দেশের পরিবর্তে তৃতীয় কোনো দেশে বহিষ্কারের নীতি নিয়ে আগামী ডিসেম্বরে শুনানি করবে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে সাময়িকভাবে এ নীতির আওতায় বহিষ্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। তবে নীতিটির বৈধতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের এ নীতির আওতায় যেসব অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যাচ্ছে না, তাঁদের তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, কিছু দেশ নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ ছাড়া অপরাধে জড়িত ব্যক্তিসহ বহিষ্কারের নির্দেশ পাওয়া অভিবাসীদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দিতে এ নীতি প্রয়োজন।

তবে অভিবাসী অধিকারকর্মী ও আইনজীবীদের অভিযোগ, অভিবাসীদের অনেক সময় গন্তব্য দেশ সম্পর্কে আগাম জানানো হয় না। সেখানে নির্যাতন বা নিপীড়নের আশঙ্কা থাকলে তা তুলে ধরার যথেষ্ট সুযোগও তাঁরা পান না।

গত ফেব্রুয়ারিতে ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল বিচারক ব্রায়ান মারফি এ নীতিকে বেআইনি ঘোষণা করেন। তাঁর রায়ে বলা হয়, তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের আগে অভিবাসীদের যথাযথ নোটিশ দিতে হবে এবং সম্ভাব্য নির্যাতন বা নিপীড়নের ঝুঁকি তুলে ধরার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফেডারেল আপিল আদালতও ওই রায়ের অধিকাংশ বহাল রাখেন। পরে ট্রাম্প প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে।

সুপ্রিম কোর্ট ২৯ সেপ্টেম্বর নিম্ন আদালতের আদেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করে বহিষ্কার কার্যক্রম পুনরায় চালুর অনুমতি দেন। আদালতের তিন উদারপন্থী বিচারপতি এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। ডিসেম্বরে শুনানিতে নীতিটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন ও সংবিধানের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পর্যালোচনা করা হবে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, এ নীতির আওতায় ২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে ২৯টি দেশে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বেশির ভাগকে মেক্সিকোতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা, নিরক্ষীয় গিনি, লাইবেরিয়া ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মতো দেশেও অভিবাসীদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

মামলার চূড়ান্ত রায়ের ওপর নির্ভর করবে ট্রাম্প প্রশাসনের তৃতীয় দেশে অভিবাসী বহিষ্কারের নীতির ভবিষ্যৎ।

সূত্র: রয়টার্স, সিবিএস নিউজ

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ