যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানকারী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান আরও জোরদার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানিয়েছে, আদালতের বহিষ্কার আদেশ অমান্য করে দেশে অবস্থান করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোট ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। ডিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, যেসব অভিবাসী Final Order of Removal বা চূড়ান্ত বহিষ্কার আদেশ পাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ […]
যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানকারী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান আরও জোরদার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানিয়েছে, আদালতের বহিষ্কার আদেশ অমান্য করে দেশে অবস্থান করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোট ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
ডিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, যেসব অভিবাসী Final Order of Removal বা চূড়ান্ত বহিষ্কার আদেশ পাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেননি, তাদের লক্ষ্য করেই এই জরিমানাগুলো জারি করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন অনুযায়ী, বহিষ্কার আদেশ অমান্য করে দেশে অবস্থান করলে প্রতিদিন নির্ধারিত হারে আর্থিক জরিমানা আরোপ করা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকা এসব জরিমানা হিসাব করেই মোট ৮৪ বিলিয়ন ডলারের অঙ্ক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো অভিবাসন আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা এবং আদালতের নির্দেশ অমান্যকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা।
তবে অভিবাসী অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, অধিকাংশ অবৈধ অভিবাসীর পক্ষেই এত বড় অঙ্কের জরিমানা পরিশোধ করা বাস্তবে সম্ভব নয়। ফলে এই উদ্যোগ কার্যকর অর্থ আদায়ের চেয়ে ভীতির পরিবেশ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হতে পারে।
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নীতিতে একের পর এক কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, গণহারে আটক অভিযান, দ্রুত বহিষ্কার কার্যক্রম এবং আর্থিক জরিমানাসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা আরও কঠোর করার চেষ্টা চলছে।