যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নিউবার্গ শহরে পুলিশি অভিযানের পর এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় বডিক্যাম ফুটেজ প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে প্রকাশিত এই ভিডিও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিহত ব্যক্তি মার্কাস বার্কস। গত ১ জানুয়ারি নিউবার্গে নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ ও নিউবার্গ সিটি পুলিশ বিভাগের সদস্যদের সঙ্গে এক ঘটনায় জড়িয়ে পড়ার পর […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নিউবার্গ শহরে পুলিশি অভিযানের পর এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় বডিক্যাম ফুটেজ প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়। চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে প্রকাশিত এই ভিডিও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নিহত ব্যক্তি মার্কাস বার্কস। গত ১ জানুয়ারি নিউবার্গে নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ ও নিউবার্গ সিটি পুলিশ বিভাগের সদস্যদের সঙ্গে এক ঘটনায় জড়িয়ে পড়ার পর তার মৃত্যু হয়।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেদিন রাত প্রায় ১০টা ৩২ মিনিটে স্টেট রুট ১৭কে সড়কে একটি ট্রাফিক লঙ্ঘনের অভিযোগে বার্কসের গাড়ি থামানোর চেষ্টা করেন এক স্টেট ট্রুপার। তবে তিনি গাড়ি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে চলে যান এবং পরে অন্য একটি গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
দুর্ঘটনার পর গাড়ি থেকে বের হলে তাকে আটক করার চেষ্টা করে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। ঘটনাস্থলে নিউবার্গ সিটি পুলিশের সদস্যরা পৌঁছে পেপার স্প্রে ব্যবহার করেন এবং অন্তত একবার টেজার প্রয়োগ করা হয় বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, বার্কসকে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় তিনি বারবার শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। পরে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের কার্যালয় জানিয়েছে, ঘটনাটি তাদের অফিস অব স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন (OSI) তদন্ত করছে। জনস্বার্থ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বডিক্যাম ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ভিডিও প্রকাশের অর্থ এই নয় যে কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক অভিযোগ আনা হচ্ছে। তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
এর আগে নিহতের পরিবারের আইনজীবী দাবি করেন, অরেঞ্জ কাউন্টির মেডিকেল এক্সামিনার বার্কসের মৃত্যুকে ‘হোমিসাইড’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, গুরুতর দুর্ঘটনার পর তার চিকিৎসা সহায়তার পরিবর্তে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছিল।
নিউবার্গ সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা অ্যাটর্নি জেনারেলের তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য থেকে বিরত রয়েছে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মামলাটি বর্তমানে নিউইয়র্কজুড়ে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এবং তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে নিহতের পরিবারসহ মানবাধিকার কর্মীদের।