ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছয় কর্মকর্তার তথ্য চেয়ে বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ব্যক্তি ‘কিমিয়া পার্ট সিভান কোম্পানি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ড্রোনের উন্নয়ন, পরীক্ষা ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। খবর আলজাজিরার। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি, তাদের সহযোগী কিংবা আর্থিক […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছয় কর্মকর্তার তথ্য চেয়ে বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ব্যক্তি ‘কিমিয়া পার্ট সিভান কোম্পানি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ড্রোনের উন্নয়ন, পরীক্ষা ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। খবর আলজাজিরার।
মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি, তাদের সহযোগী কিংবা আর্থিক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারলে সর্বোচ্চ দেড় কোটি ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, আইআরজিসির অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতায় চাপ সৃষ্টি করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ওয়াশিংটনের অভিযোগ, কিমিয়া পার্ট সিভান কোম্পানি ইরানের ড্রোন প্রযুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ব্যবহৃত ড্রোন সরবরাহের সঙ্গেও প্রতিষ্ঠানটির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার কাছে ইরানি ড্রোন পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মতে, এই ড্রোন কর্মসূচি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।
পুরস্কার ঘোষণার পাশাপাশি আইআরজিসির বৈশ্বিক আর্থিক লেনদেন ও সরবরাহ চেইনের ওপর নজরদারিও বাড়িয়েছে মার্কিন প্রশাসন। তাদের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ইরানের ড্রোন কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত এবং অর্থায়নের উৎস দুর্বল করা সম্ভব হবে।