ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) নিউইয়র্কের কুইন্সের ওজোন পার্ক এলাকার বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সী সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল এস. র্যাম্পারসাডের পরিচয় প্রকাশ করেছে। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় তিনি নিখোঁজ হন। হামলার পর […]
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) নিউইয়র্কের কুইন্সের ওজোন পার্ক এলাকার বাসিন্দা ২৮ বছর বয়সী সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল এস. র্যাম্পারসাডের পরিচয় প্রকাশ করেছে।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় তিনি নিখোঁজ হন। হামলার পর প্রথমে দুই মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও একজনকে নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তী অনুসন্ধান ও পরিচয় শনাক্তের পর নিশ্চিত হওয়া যায়, নিখোঁজ সেই সেনাই ছিলেন সার্জেন্ট র্যাম্পারসাড।
পেন্টাগন জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।
সার্জেন্ট অ্যাঞ্জেল এস. র্যাম্পারসাড জার্মানির আন্সবাখে অবস্থানরত ১ম ব্যাটালিয়ন, ৫৭তম এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি রেজিমেন্ট, ৫২তম এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারি ব্রিগেড এবং ১০ম আর্মি এয়ার অ্যান্ড মিসাইল ডিফেন্স কমান্ডের সদস্য ছিলেন। তিনি সিগন্যাল অপারেশনস সাপোর্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
তার ইউনিটের প্রধান দায়িত্ব ছিল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং অন্যান্য আকাশপথের হুমকি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রবাহিনীর সামরিক ঘাঁটি সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
এর আগে একই হামলায় নিহত আরও দুই মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ করা হয়। তারা হলেন হাওয়াইয়ের ২৫ বছর বয়সী ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট টাইলার জেমস ফিহান এবং টেক্সাসের ১৯ বছর বয়সী প্রাইভেট ইসাবেলা গনজালেস। তিনজনই জর্ডানে ইরানের হামলায় প্রাণ হারান।
অন্যদিকে, ইরাকে পৃথক এক অভিযানে ভূপাতিত একটি ইরানি ড্রোন নিরাপদে ধ্বংস করার সময় নর্থ ক্যারোলাইনার সার্জেন্ট মাইকেল ইমানুয়েল সুইনটন নিহত হন।
পেন্টাগনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা এখন ১৮ জন।
জর্ডানে সংঘটিত হামলাকে বর্তমান সংঘাতের অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঘটনার পর অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।