শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর আসক্তি থেকে রক্ষা করতে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে চালু হচ্ছে নতুন আইনি বিধিনিষেধ। এ সংক্রান্ত ‘সেইফ অ্যাক্ট’ (SAFE Act) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে অঙ্গরাজ্য প্রশাসন। ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত এই আইনটি কার্যকরের ফলে এখন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যালগরিদমভিত্তিক কনটেন্ট সাজিয়ে দেখানো, স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পাঠানো এবং সঠিক […]
ছবি: সংগৃহীত
শিশু-কিশোরদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর আসক্তি থেকে রক্ষা করতে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে চালু হচ্ছে নতুন আইনি বিধিনিষেধ। এ সংক্রান্ত ‘সেইফ অ্যাক্ট’ (SAFE Act) বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশ করেছে অঙ্গরাজ্য প্রশাসন। ২০২৪ সালে স্বাক্ষরিত এই আইনটি কার্যকরের ফলে এখন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যালগরিদমভিত্তিক কনটেন্ট সাজিয়ে দেখানো, স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পাঠানো এবং সঠিক বয়স যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে।
এ বিষয়ে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটর অ্যান্ড্রু গুনার্ডেস মন্তব্য করেন, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এতদিন শিশুদের মানসিক দুর্বলতাকে লক্ষ্য বানিয়ে এবং তাঁদের বিপুল তথ্য ব্যবহার করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। অ্যাপগুলোর নকশাই এমনভাবে করা হয় যেন ব্যবহারকারী দীর্ঘসময় এর পেছনে আটকে থাকে। নতুন নিয়মের ফলে শিশুদের কাছে রাতবিরাতে স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন পাঠানোর ওপর লাগাম টানা হবে এবং বয়স যাচাইয়ের পুরো ব্যবস্থাটিকে আরও সুরক্ষিত করা হবে।
একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে অতিরিক্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের বিষয়েও সতর্ক করেন এই সিনেটর। তিনি বলেন, অ্যালগরিদম, রোবট বা স্ক্রিন কখনোই একজন শিক্ষকের বিকল্প হতে পারে না; শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূল কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত শ্রেণিকক্ষের সরাসরি শিক্ষক।