সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

আন্তর্জাতিক
৩:৩৭ পিএম, ২১ মে ২০২৬

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, হামলা স্থগিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্য এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ফোনালাপ দুই নেতার অবস্থানের বড় পার্থক্য সামনে এনেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের এক উত্তপ্ত ফোনালাপে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে […]

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, হামলা স্থগিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে কৌশলগত মতপার্থক্য এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ফোনালাপ দুই নেতার অবস্থানের বড় পার্থক্য সামনে এনেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবারের এক উত্তপ্ত ফোনালাপে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তীব্র বিরোধে জড়ান নেতানিয়াহু।

সূত্রগুলো জানায়, রোববারের আলোচনায় ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সম্ভাব্য ওই অভিযানের জন্য ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ নামও ঠিক করা হয়েছিল। তবে মাত্র একদিন পরই তিনি হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে সামরিক পদক্ষেপ সাময়িকভাবে থামানো হয়েছে, যাতে নতুন কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশগুলো পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতার পথ খুঁজছে বলেও জানা গেছে।

তবে এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তার অবস্থান, হামলা বিলম্বিত হলে তা ইরানের জন্যই কৌশলগত সুবিধা তৈরি করবে। ফোনালাপে তিনি ট্রাম্পকে স্পষ্টভাবে জানান, সামরিক অভিযান থামানো ভুল সিদ্ধান্ত হয়েছে।

একজন ইসরাইলি কর্মকর্তার দাবি, নেতানিয়াহু এখনো বিশ্বাস করেন না যে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর কোনো সমাধান সম্ভব। বিশেষ করে ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি সীমিত করতে রাজি না হওয়ায় ইসরাইল আরও কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাম্প এখনো কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি বাতিল করতে চান না। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমরা ইরান ইস্যুর শেষ পর্যায়ে আছি। হয় চুক্তি হবে, না হয় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

এদিকে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত বিদেশে পাঠানোর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের এই কৌশলগত দূরত্ব মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ