যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র Intrepid Museum-এর পাশের গৃহহীনদের একটি শিবির নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েও সরাসরি জবাব দেননি নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাধিক অভিযোগের পরও শিবিরটি কেন এখনো অপসারণ করা হয়নি—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। সোমবার ব্রুকলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামদানি বলেন, নিউইয়র্ক সিটির লক্ষ্য গৃহহীন মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রের […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র Intrepid Museum-এর পাশের গৃহহীনদের একটি শিবির নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েও সরাসরি জবাব দেননি নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাধিক অভিযোগের পরও শিবিরটি কেন এখনো অপসারণ করা হয়নি—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সোমবার ব্রুকলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মামদানি বলেন, নিউইয়র্ক সিটির লক্ষ্য গৃহহীন মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করা এবং তাদের জন্য স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তার ভাষায়, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে দেওয়া কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ম্যানহাটনের মিডটাউনে ইন্ট্রেপিড মিউজিয়ামের বাইরে গড়ে ওঠা ওই শিবির নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ৩১১ সেবায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে অভিযোগগুলোর পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, গৃহহীনদের শিবির অপসারণের দায়িত্ব আর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) নয়। এই কার্যক্রম পরিচালনা করছে নিউইয়র্ক সিটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমলেস সার্ভিসেস (ডিএইচএস)। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, টানা সাত দিন আশ্রয় ও সামাজিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়ার পরও কেউ শিবিরে অবস্থান করলে তা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ রয়েছে, টুয়েলফথ অ্যাভিনিউ ও ওয়েস্ট ৪৬তম স্ট্রিট-সংলগ্ন এলাকায় গৃহহীনদের শিবিরটি এখনো বহাল রয়েছে এবং সেখানে লোকজন বসবাস করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, শিবিরটি ঘিরে নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে তাদের উদ্বেগ বাড়ছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসন ইন্ট্রেপিড মিউজিয়ামের পাশের ওই শিবির অপসারণে বিলম্বের নির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি।