নিউইয়র্ক শহরে বাড়ির অতিরিক্ত আলমারি বা স্টোরেজ স্পেস ভাড়া দিয়ে নতুন আয়ের পথ তৈরি করেছেন অনেক নারী। ফ্যাশনপ্রেমী ও মূল্যবান পোশাক সংরক্ষণে আগ্রহীদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ মাসে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় করছেন। মার্কিন সাময়িকী ফরচুন–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের ব্যয়বহুল আবাসন বাজারে অতিরিক্ত জায়গা এখন মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়েছে। […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক শহরে বাড়ির অতিরিক্ত আলমারি বা স্টোরেজ স্পেস ভাড়া দিয়ে নতুন আয়ের পথ তৈরি করেছেন অনেক নারী। ফ্যাশনপ্রেমী ও মূল্যবান পোশাক সংরক্ষণে আগ্রহীদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ মাসে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত আয় করছেন।
মার্কিন সাময়িকী ফরচুন–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কের ব্যয়বহুল আবাসন বাজারে অতিরিক্ত জায়গা এখন মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়েছে। অনেক বাসিন্দা নিজেদের খালি ক্লোজেট, আলমারি বা স্টোরেজ স্পেস ভাড়া দিয়ে বাড়তি আয় করছেন।
এই সেবার প্রধান গ্রাহক হচ্ছেন এমন ব্যক্তিরা, যাদের কাছে দামি পোশাক, জুতা, ব্যাগ বা সংগ্রহযোগ্য ফ্যাশন সামগ্রী রয়েছে, কিন্তু নিউইয়র্কের ছোট অ্যাপার্টমেন্টে সেগুলো সংরক্ষণের পর্যাপ্ত জায়গা নেই। নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য তারা অন্যের বাড়ির অতিরিক্ত স্টোরেজ ভাড়া নিচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি মূলত শেয়ারিং ইকোনমি–ভিত্তিক একটি ব্যবসায়িক মডেল। বাড়ির অব্যবহৃত জায়গাকে অর্থ উপার্জনের সম্পদে পরিণত করার প্রবণতা নিউইয়র্কে দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে।
নিউইয়র্কে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বাড়িভাড়া ক্রমাগত বাড়তে থাকায় অনেকেই বিকল্প আয়ের পথ খুঁজছেন। সেই বাস্তবতায় অতিরিক্ত স্টোরেজ স্পেস ভাড়া দেওয়া অনেকের জন্য লাভজনক আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।
তবে এ ধরনের ব্যবস্থায় নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাড়ির মালিকরা সাধারণত ভাড়াটিয়ার পরিচয় যাচাই, লিখিত চুক্তি এবং সংরক্ষিত সামগ্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরই জায়গা ভাড়া দিচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় শহরগুলোতে জায়গার সংকট যত বাড়বে, ততই বাড়ির অব্যবহৃত অংশ ব্যবহার করে আয় করার এ ধরনের ছোট কিন্তু লাভজনক ব্যবসার প্রসার আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
সূত্র: ফরচুন