জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের সময় মিলনায়তনে প্রতিনিধি ও দর্শকদের উপস্থিতি খুবই কম ছিল এবং অধিকাংশ আসন ফাঁকা দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। শুক্রবার রাতে একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিডিও একাধিকবার পর্যালোচনা করে তিনি […]
ছবি: সংগৃহীত
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণের সময় মিলনায়তনে প্রতিনিধি ও দর্শকদের উপস্থিতি খুবই কম ছিল এবং অধিকাংশ আসন ফাঁকা দেখা গেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
শুক্রবার রাতে একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিডিও একাধিকবার পর্যালোচনা করে তিনি অডিয়েন্সে খুব বেশি মানুষের উপস্থিতি দেখতে পাননি।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, তখন অডিয়েন্সে বেশি মানুষ ছিল না। ভিডিওটা দুই-তিনবার রিওয়াইন্ড করে দেখেছি যে ম্যাক্সিমাম সিট ফাঁকা ছিল। কী কারণে এমনটি হয়েছে বা কেন আসনগুলো ফাঁকা ছিল, সেই কারণ আমার জানা নেই।”
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের উপস্থাপন নিয়েও মন্তব্য করেন এই আইনজীবী। তাঁর ভাষ্য, পুরো বক্তব্যটি স্ক্রিপ্ট দেখে পড়ে শোনানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নেতার বক্তব্যে অনেক সময় স্বতঃস্ফূর্ততা দেখা গেলেও শুধু লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনালে বক্তৃতার প্রাসঙ্গিকতা কিছু ক্ষেত্রে কমে যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তবে প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে ব্যস্ত কর্মসূচির প্রশংসাও করেন শিশির মনির। তিনি বলেন, সফরে নতুনত্ব ছিল প্রধানমন্ত্রীর সারল্য ও অক্লান্ত পরিশ্রমে। ঘণ্টায় ঘণ্টায় একের পর এক সাইডলাইন বৈঠক করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ভাষণের সময় উপস্থিত দর্শকদের প্রতিক্রিয়া নিয়েও মন্তব্য করেন শিশির মনির। তিনি বলেন, প্রায় ২১ মিনিটের বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলার সময় উপস্থিতদের হাতে গোনা কয়েকজন হাততালি দেন। পুরো ভাষণে এমন প্রতিক্রিয়া বড়জোর তিনবার দেখা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে তাঁর প্রথম ভাষণ দেন।