সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকায় দেশটির দূতাবাস আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে সৌদি […]
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের ৯৬তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকায় দেশটির দূতাবাস আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে সৌদি দূতাবাসের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান সৌদি আরবের জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে বাদশাহ সালমান, রাজপরিবার, সৌদি সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর হাতে তিনি ওই শুভেচ্ছাপত্র তুলে দেন।
শুভেচ্ছাপত্রে সৌদি আরবের সঙ্গে বিশ্বের মুসলমানদের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এতে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববী (সা.)-এর সেবা ও ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলমানদের হজ ও ওমরাহ পালনে সৌদি আরবের সহযোগিতা ও সেবার বিষয়টিও চিঠিতে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
শুভেচ্ছাপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক শুধু প্রচলিত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে গভীর ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও জড়িত। সৌদি আরবে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করা হয়।
একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ডা. শফিকুর রহমান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।