যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। তবে যাত্রীরা বলছেন, শেষ মুহূর্তে পাইলটদের সাহসী সিদ্ধান্তেই বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। রোববার রাত প্রায় ১১টা ৪০ মিনিটে মন্ট্রিয়াল থেকে আসা এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইট অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফায়ার ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। দুর্ঘটনার আগে বিমানটিতে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি […]
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হয়েছেন। তবে যাত্রীরা বলছেন, শেষ মুহূর্তে পাইলটদের সাহসী সিদ্ধান্তেই বহু মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে।
রোববার রাত প্রায় ১১টা ৪০ মিনিটে মন্ট্রিয়াল থেকে আসা এয়ার কানাডার একটি ফ্লাইট অবতরণের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফায়ার ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে। দুর্ঘটনার আগে বিমানটিতে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে জানান যাত্রীরা।
এক যাত্রী জ্যাক ক্যাবট বলেন, ফ্লাইটটি শুরুতে স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু অবতরণের সময় বিমানটি অস্বাভাবিক জোরে মাটিতে আঘাত করে এবং হঠাৎ থেমে যাওয়ার পরই প্রচণ্ড ধাক্কা লাগে। এতে বিমানের সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দুর্ঘটনায় দুই পাইলট নিহত হন এবং অন্তত ৪১ জন যাত্রী ও ক্রুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর লাগার্ডিয়া বিমানবন্দর দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখা হয়।
আরেক যাত্রী জানান, অবতরণের কিছুক্ষণ পরই বিমানটি হঠাৎ পাশের দিকে স্লাইড করতে থাকে এবং ভেতরে সবাই ছিটকে পড়েন। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণহীন ছিল যে, অনেকের মনে হচ্ছিল বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে যাচ্ছে।
যাত্রীদের ধারণা, শেষ মুহূর্তে পাইলটরা বিমান নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রিভার্স থ্রাস্ট ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন, যা বড় ধরনের প্রাণহানি এড়াতে সহায়ক হয়েছে।
নিহত দুই পাইলটের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।