নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসের মরিস হাইটস এলাকায় দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ৭৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার ২১ বছর বয়সী প্রতিবেশীকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে এনওয়াইপিডি। অভিযুক্ত গিলবার্ট স্মলস শুক্রবার পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় হত্যার কথা স্বীকার করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত তরুণের নাম জাস্টিন চ্যাটফিল্ড। তারা দুজনই ৩০ রিচম্যান প্লাজার একই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে বসবাস […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসের মরিস হাইটস এলাকায় দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে ৭৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তার ২১ বছর বয়সী প্রতিবেশীকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে এনওয়াইপিডি।
অভিযুক্ত গিলবার্ট স্মলস শুক্রবার পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় হত্যার কথা স্বীকার করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত তরুণের নাম জাস্টিন চ্যাটফিল্ড। তারা দুজনই ৩০ রিচম্যান প্লাজার একই অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১০টা ২০ মিনিটে ৯১১ কলে সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কর্মকর্তারা চ্যাটফিল্ডকে বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে এসে মায়ের সামনে লুটিয়ে পড়েন। পরে জরুরি সেবাকর্মীরা তাকে সেন্ট বার্নাবাস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, স্মলস ও চ্যাটফিল্ডের মধ্যে প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাতে ভবনের করিডরে গোলমালের একপর্যায়ে এই বিরোধ চরমে পৌঁছায়। শব্দ শুনে বাইরে বের হলে চ্যাটফিল্ডকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে পরিবারের দাবি।
পুলিশ জানিয়েছে, ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে কর্মকর্তারা যখন স্মলসের দরজায় যান, তখনই তিনি নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয় এবং হত্যার অভিযোগ আনা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুইজনের বিরুদ্ধেই অতীতে আইনি জটিলতার রেকর্ড ছিল। তবে নিহতের স্বজনরা বলছেন, এমন পরিণতি কেউ কল্পনাও করেননি। জাস্টিনের দাদা অ্যালান বার্নওয়েল বলেন, “সে খুব ভালো ছেলে ছিল, এভাবে তার মৃত্যু একেবারেই অযৌক্তিক।