নিউইয়র্ক সিটির রাইডশেয়ার চালকদের জন্য প্রণীত একটি নতুন আইনের কার্যকারিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। ফলে আপাতত উবার ও লিফট চালকদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে ১৪ দিনের নোটিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ম্যানহাটনের যুক্তরাষ্ট্রের জেলা বিচারক গ্রেগরি উডস রায়ে বলেন, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না […]
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক সিটির রাইডশেয়ার চালকদের জন্য প্রণীত একটি নতুন আইনের কার্যকারিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত। ফলে আপাতত উবার ও লিফট চালকদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে ১৪ দিনের নোটিশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকছে না।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ম্যানহাটনের যুক্তরাষ্ট্রের জেলা বিচারক গ্রেগরি উডস রায়ে বলেন, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনটি কার্যকর করা যাবে না। আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নতুন আইন অনুযায়ী, উবার ও লিফট কোনো চালকের অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় বা বন্ধ করার আগে অন্তত ১৪ দিনের নোটিশ দেওয়ার কথা ছিল। তবে গুরুতর অসদাচরণ বা নিরাপত্তাজনিত অভিযোগের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হতো না।
আইনটিতে আরও বলা হয়েছিল, ২০১৯ সালের পর যেসব চালকের অ্যাকাউন্ট যথাযথ নোটিশ ছাড়া বন্ধ করা হয়েছে, তাদের পুনর্বহালের সুযোগ বিবেচনা করা হবে।
আদালতে উবার ও লিফট যুক্তি দেয়, এই আইন কার্যকর হলে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। তাদের দাবি, যৌন হয়রানি বা অন্যান্য গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত চালকদের বিরুদ্ধেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে, ফলে ঝুঁকি বাড়বে।
রায়ের পর লিফট এক বিবৃতিতে জানায়, আদালত যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছে, এতে তারা সন্তুষ্ট। উবারও বলেছে, চালকদের প্রতি ন্যায্য আচরণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তা বজায় রাখাও তাদের অগ্রাধিকার।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে আইনটি পাস করে। যদিও তৎকালীন মেয়র এরিক অ্যাডামস এতে ভেটো দেন, পরে সিটি কাউন্সিল সেই ভেটো অগ্রাহ্য করে আইনটি অনুমোদন করে। আইনটি ২৮ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, তবে আদালতের সর্বশেষ আদেশে তা আপাতত স্থগিত থাকল।
সূত্র: রয়টার্স