ইরানের ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সামরিক কমান্ড সতর্ক করেছে, হরমুজ প্রণালিতে হামলার জবাবে তারা শুধু পাল্টা আঘাত নয়, বরং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও বিরতিহীন হামলা চালাবে। সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেছেন, “আমরা এক লিটার তেলও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের অংশীদারদের কাছে পৌঁছতে দেব না। এসব গন্তব্যের যেকোনো জাহাজ বা ট্যাঙ্কার আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।” তিনি আরও […]
ইরানের ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ সামরিক কমান্ড সতর্ক করেছে, হরমুজ প্রণালিতে হামলার জবাবে তারা শুধু পাল্টা আঘাত নয়, বরং শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও বিরতিহীন হামলা চালাবে।
সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেছেন, “আমরা এক লিটার তেলও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের অংশীদারদের কাছে পৌঁছতে দেব না। এসব গন্তব্যের যেকোনো জাহাজ বা ট্যাঙ্কার আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।”
তিনি আরও সতর্ক করেছেন, “তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারের জন্য প্রস্তুত থাকুন, কারণ তেলের দাম নির্ভর করে এই অঞ্চলের নিরাপত্তার ওপর, যা আপনারা অস্থিতিশীল করে তুলেছেন।”
বিশ্বজুড়ে তেলের সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপান ইতিমধ্যে জানিয়েছে, তারা উচ্চমূল্যের জ্বালানি মোকাবিলায় তাদের মজুত তেল ব্যবহার করবে। একইভাবে, জার্মানিও এ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। ফ্রান্সের অর্থমন্ত্রী রোল্যান্ড লেসকিউর জানিয়েছেন, কৌশলগত তেল মজুতের বাজারে নিঃসৃত করা সমন্বিত কৌশলের অংশ।
ইরান অভিযোগ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হরমুজ প্রণালীর একটি দ্বীপে থাকা সামুদ্রিক অ্যাম্বুলেন্সে হামলা চালিয়েছে। মেহর নিউজ এজেন্সি দেখিয়েছে, আগুনে ভস্মীভূত নৌকা হরমুজ দ্বীপ থেকে জরুরি রোগীদের দক্ষিণ হরমোজগান প্রদেশের বন্দর আব্বাসে স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হত।
এই সতর্কবার্তা মধ্যপ্রাচ্য এবং বিশ্ব তেলের বাজারে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত বহন করছে।