বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ ইসলামি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক বৃত্তির সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২৪ করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সারি আতাউল […]
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ ইসলামি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক বৃত্তির সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২৪ করা হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সারি আতাউল হক সম্প্রতি আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমামের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীবিষয়ক উপদেষ্টা নাহলা সাইদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও আল-আজহারের মধ্যকার শিক্ষা সহযোগিতা, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং তাদের কল্যাণসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে নাহলা সাইদি জানান, মিসরে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বৃত্তির সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২৪ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়।
এর ফলে আরও বেশি বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ বৃত্তির আওতায় বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ইসলামি বিদ্যাপীঠে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন।
আলোচনায় নাহলা সাইদি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবপ্রণীত নীতিমালা, চলমান শিক্ষা কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলাদেশ দূতাবাসকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজের প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও আল-আজহারের দীর্ঘদিনের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বৃত্তি, গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ দূতাবাসের মতে, বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং দুই দেশের শিক্ষা-সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।