সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

জাতীয়
৫:৩৯ এএম, ২৮ অক্টোবর ২০২৫

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সুযোগে প্রশ্ন তোলা হয়নি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার মন্তব্য

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর: বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের পক্ষ থেকে সুযোগ পেয়েও কেউ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে পারেননি, যা সাংবাদিকদের প্রতি তার এক ধরনের সমালোচনা। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আদালতের নির্দেশনা মেনে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে এবং এখন বিষয়টি ভারতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। মঙ্গলবার দুপুরে […]

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের সুযোগে প্রশ্ন তোলা হয়নি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার মন্তব্য
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ঢাকা, ২৮ অক্টোবর: বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের পক্ষ থেকে সুযোগ পেয়েও কেউ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করতে পারেননি, যা সাংবাদিকদের প্রতি তার এক ধরনের সমালোচনা। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আদালতের নির্দেশনা মেনে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে এবং এখন বিষয়টি ভারতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

মঙ্গলবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমরা আমাদের আইনি দায়িত্ব পালন করেছি। আদালত আমাদের নির্দেশ দিয়েছে, আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করেছি। এখন ভারতের পক্ষ থেকে তারা যেভাবে দেখবে, সেটাই বিষয়। এ পর্যন্ত আমাদের পক্ষ থেকে আর কোনো তথ্য কিংবা সিদ্ধান্ত আসেনি।”

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “ভারতের পররাষ্ট্র সচিব যখন বলেছেন যে তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্বচ্ছ নির্বাচন চান, তখন আমাদের সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউই সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি করেননি, কেন গত ১৫ বছরে এই বিষয়টি বলা হয়নি? আগের নির্বাচনগুলো কি সঠিক ছিল? এই সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেউ প্রশ্ন তোলেননি, যা আমার জন্য অবাক করার বিষয়।”

তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনাদের মধ্যে অনেক সিনিয়র ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক ছিলেন, যারা ভারতের পররাষ্ট্র সচিবের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এমন সুযোগে অন্তত একটি প্রশ্ন তোলা যেত। যদিও তা বিব্রতকর হতে পারে, তবুও প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল।”

এছাড়াও, ঢাকায় নতুন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী নিয়োগ প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন জানান, বাংলাদেশ এমন কাউকে স্বাগত জানাবে, যিনি কোনো সমস্যা বা বিতর্ক সৃষ্টি করবেন না। তিনি বলেন, “আমাদের এখানে এমন কেউ আসবেন না, যার কারণে কোনো ঝামেলা বা বিতর্ক সৃষ্টি হয়।”

বিশ্লেষণ:
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই মন্তব্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। সাংবাদিকদের প্রতি তৌহিদের সমালোচনা দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। একই সঙ্গে, শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার আইনি প্রক্রিয়া ও ভারতের ভূমিকা নিয়ে চলমান বিষয়গুলো দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যতকে প্রভাবিত করতে পারে। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর নিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান দৃঢ় করার লক্ষ্যে একটি ইতিবাচক সংকেত।

বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই খবর গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি দেশের কূটনৈতিক নীতি, আইনি প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিবেশ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়। একই সঙ্গে, সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা ও তাদের ভূমিকা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Su Mo Tu We Th Fr Sa
Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ