সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের তেলিকোনা গ্রামে মসজিদে দেওয়া একটি ধর্মীয় বয়ানকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সংঘর্ষের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে সতর্ক অবস্থান নিতে হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, […]
ছবি: সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের তেলিকোনা গ্রামে মসজিদে দেওয়া একটি ধর্মীয় বয়ানকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, সংঘর্ষের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে সতর্ক অবস্থান নিতে হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে তেলিকোনা জামে মসজিদে ইমাম একটি ধর্মীয় বয়ান দেন। বয়ানের বিষয়বস্তু নিয়ে কয়েকজন মুসল্লি আপত্তি জানালে মসজিদের ভেতরেই উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে উপস্থিত লোকজন বিষয়টি মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে শান্ত করেন।
তবে পরদিন শনিবার সেই বিরোধ নতুন করে সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে গেলে একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুই পক্ষের বহু লোক আহত হন। গুরুতর আহতদের জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আহতদের মধ্যে বিভিন্ন বয়সী ব্যক্তি রয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হন।
খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশের উপস্থিতির আগেই মূল সংঘর্ষ অনেকটা থেমে যায়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, ধর্মীয় বয়ানকে কেন্দ্র করেই এ বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।