সম্পূর্ণ নিউজ বাংলা-ভয়েজ

বিশ্ব
৬:৫৫ পিএম, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পরিবেশ ‘ইতিবাচক’, মন্তব্য ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠককে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশই আলোচনার ধারা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মধ্যস্থতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে কঠোর পদক্ষেপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের প্রেক্ষাপটে এই […]

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পরিবেশ ‘ইতিবাচক’, মন্তব্য ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠককে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি জানিয়েছেন, দুই দেশই আলোচনার ধারা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের মধ্যস্থতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে কঠোর পদক্ষেপ এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে আরাঘচি বলেন, “খুবই ইতিবাচক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। আমরা আমাদের অবস্থান তুলে ধরেছি এবং অপর পক্ষের মতামতও শুনেছি। এটি একটি ভালো সূচনা।” তিনি আরও জানান, পরবর্তী দফার বৈঠকের সময়সূচি ও কাঠামো দুই দেশের রাজধানীতে আলোচনা শেষে নির্ধারিত হবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র চাপ ও হুমকির নীতি থেকে সরে এলে আলোচনা প্রক্রিয়া আরও ফলপ্রসূ হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এবারের আলোচনা কেবল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েই সীমাবদ্ধ ছিল এবং অন্য কোনো ইস্যু আলোচনায় আসেনি।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র চাইলেও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ইরানের সমর্থনের বিষয় আলোচনায় আনতে তেহরান রাজি নয়।

গত বছরের জুনে ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলা এবং টানা ১২ দিনের সংঘাতের কারণে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ওই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও স্বল্প সময়ের জন্য ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়।

এর জবাবে ইরান ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পাশাপাশি কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটিতেও আঘাত হানে। সেই উত্তেজনার পর এই প্রথম সরাসরি কোনো বৈঠকে বসলো তেহরান ও ওয়াশিংটন।

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আরও বাংলা-ভয়েজ সংবাদ