পবিত্র লাইলাতুল কদর–এর সন্ধানে সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম–এ নেমেছে লাখো মুসল্লির ঢল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিতিতে মক্কা–র কাবা প্রাঙ্গণ রোববার (১৫ মার্চ) গভীর রাতে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ইফতারের পর থেকেই হারাম শরিফের ভেতর ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও মুসল্লিরা জিকির, নফল নামাজ ও আল […]
ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র লাইলাতুল কদর–এর সন্ধানে সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম–এ নেমেছে লাখো মুসল্লির ঢল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিতিতে মক্কা–র কাবা প্রাঙ্গণ রোববার (১৫ মার্চ) গভীর রাতে এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
ইফতারের পর থেকেই হারাম শরিফের ভেতর ও আশপাশের এলাকা মুসল্লিতে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও মুসল্লিরা জিকির, নফল নামাজ ও আল কোরআন তিলাওয়াতে মশগুল থেকে রাতটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটান। ওমরাহ পালনকারী এবং স্থানীয় মুসল্লিরা একসঙ্গে এশা ও তারাবিহ নামাজ আদায় করেন।
শেখ আবদুল রহমান আল সুদাইস, যিনি মসজিদুল হারামের ইমাম ও মুখপাত্র, জানান—ওমরাহ যাত্রী ও মুসল্লিদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং জনসমাগম সামাল দিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করছে।
ইসলামে লাইলাতুল কদর অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি রাত। বিশ্বাস করা হয়, এই রাতেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর ওপর আল কোরআন অবতীর্ণ হয়। রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে মুসলমানরা গভীর আগ্রহ ও ভক্তিভরে এই মহিমান্বিত রাতের সন্ধান করেন, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলে বিবেচিত।